Shaksgam Valley

গালওয়ানের পরে সংঘাতের মেঘ শাক্সগাম উপত্যকায়! ফের যুদ্ধে জড়াবে ভারত-চিন?

১৯৬৩ সালে শাক্সগাম উপত্যকার ৫,১৮০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল বেজিংকে 'উপহার' দিয়েছিল নয়াদিল্লি। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর তৈরির ছলে সেখানে নির্মাণ শুরু করেছে চিন। যাকে ঘিরেই উত্তেজনার পারদ চড়ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৭:৫৮

options
link
গালওয়ানের পরে সংঘাতের মেঘ শাক্সগাম উপত্যকায়! ফের যুদ্ধে জড়াবে ভারত-চিন?

লাদাখ সীমান্তে সংঘাতের মেঘ কেটে গিয়েছে এক বছরেরও বেশি সময় আগে। কিন্তু এবার নতুন করে ভারত-চিন সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। পূর্ব কারাকোরাম পর্বতমালার কাছে সিয়াচেন হিমবাহের পাশেই রয়েছে শাক্সগাম উপত্যকা। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর তৈরির ছলে সেখানে নির্মাণ শুরু করেছে চিন। যাকে ঘিরেই উত্তেজনার পারদ চড়ছে।

Advertisement

তবে কেবলই চিন নয়, এই অঞ্চলে সক্রিয় পাকিস্তানও। শাক্সগাম উপত্যকার উত্তরে চিনের শিনঝিয়াং অঞ্চল। দক্ষিণ ও পশ্চিমে পাক অধিকৃত কাশ্মীর। ইতিহাস বলছে, ১৯৬৩ সালে এলাকার ৫ হাজার বর্গ কিমি অঞ্চল দখল করে চিনকে ‘উপহার’ দেয় ইসলামাবাদ। উদ্দেশ্য, বেজিং ওই অঞ্চলে সক্রিয় হয়ে ভারতের ঘুম কেড়ে নিক। এবার সেই তুষারাবৃত অঞ্চলেই সংঘাতের কালো মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই ওই অঞ্চলে চিন যে রাস্তা তৈরি করেছে তার দৈর্ঘ্য ৭৫ কিমি। চওড়া ১০ মিটার। সূত্রানুসারে তা সম্পূর্ণও হয়ে গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ওই অঞ্চলটি ভারতীয় ভূখণ্ডের অংশ এবং নিজেদের স্বার্থরক্ষার জন্য ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়ার অধিকার নয়াদিল্লির রয়েছে। পাশাপাশি বিদেশ মন্ত্রক উল্লেখ করেছে যে, পাকিস্তান ১৯৬৩ সালে চিনের সঙ্গে যে চুক্তি স্বাক্ষর করে অবৈধভাবে দখলীকৃত এলাকা থেকে শাক্সগাম উপত্যকার ৫,১৮০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল বেজিংকে হস্তান্তর করেছিল, ভারত সেই চুক্তিকে কখনওই স্বীকৃতি দেয়নি। তবে, চিন ভারতের আপত্তি উড়িয়ে দিয়ে জোর দিয়ে বলেছে যে তাদের নির্মাণ কার্যক্রম ছিল একেবারেই সাধারণ একটি ঘটনা। তবে তারা এটা বললেও নয়াদিল্লি যে কড়া নজর রাখছে পরিস্থিতিতে তা স্পষ্ট।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে এপ্রিল থেকে পূর্ব লাদাখের একাধিক জায়গায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগ ওঠে চিনের বিরুদ্ধে। ওই বছরের জুনে ডোকলামে এমনই অনুপ্রবেশের কারণে ভারতের সঙ্গে চিন সেনার সংঘাত শুরু হয়। সেই লড়াইয়ে মৃত্যু হয় ২০ জন জওয়ানের। পালটা জবাবে বহু চিন সেনার মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই সীমান্তে চড়তে শুরু করে উত্তেজনার পারদ। এবার কি শাক্সগামে ফের যুদ্ধে জড়াবে ভারত-চিন? প্রশ্ন কিন্তু উঠতে শুরু করেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন