Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

বাংলার পর উত্তরপ্রদেশে ‘নরখাদক’, মা-স্ত্রীকে ‘খুন’ করে মাথা খুবলে খেল যুবক! দেখল গোটা গ্রাম

খুন হওয়া তরুণী ও বৃদ্ধার চিৎকারে বাড়ির সামনে ছুটে এসেছিলেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের দাবি, মাথার খুলি থেকে মাংস ছিঁড়ে খাচ্ছিলেন অভিযুক্ত যুবক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ২০:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ২০:০৯

options
link
বাংলার পর উত্তরপ্রদেশে ‘নরখাদক’, মা-স্ত্রীকে ‘খুন’ করে মাথা খুবলে খেল যুবক! দেখল গোটা গ্রাম zoom

উত্তরপ্রদেশে ক্যানিবলিজম! নিজের স্ত্রী ও মাকে খুন করে তাঁদের মাথার খুলি ফাটিয়ে মাংস খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এই ঘটনা যোগীরাজ্যের কুশিনগরের। বছর তিরিশের ওই ব্যক্তি পেশায় শ্রমিক। মা ও স্ত্রীকে খুনের পর বাড়ির ছাদে মধ্যযুগীয় বর্বর কাণ্ড ঘটান। যা প্রত্যক্ষ করেছে গোটা গ্রাম। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এই ঘটনায়। পরে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে অভিযুক্তকে।

কুশিনগরের ওই গ্রামের নাম পার্সা। অভিযুক্ত ব্যক্তির সিকন্দর গুপ্ত। তিনি মুম্বইয়ে থেকে কাজ করতেন। মাস খানেক আগে বাড়ি ফিরেছিলেন। গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন, সিকন্দর মদ-গাঁজায় আসক্ত। মাঝমাঝেই মা রুনা দেবী ও স্ত্রী প্রিয়াঙ্কাকে খুন করে ফেলবে বলে সে হুমকি দিত। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় বাড়ির ছাদে প্রথমে ২৮ বছরের প্রিয়াঙ্কা এবং পরে মা রুনাকে লাঠিপেটা করে সিকন্দর। এরপর সিমেন্টের একটি চাঁই দিয়ে বারবার মাথায় আঘাত করে। এর ফলে মাথার খুলি ফেটে চৌচির হয়ে যায়।

Advertisement

খুন হওয়া তরুণী ও বৃদ্ধার চিৎকারে বাড়ির সামনে ছুটে আসেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের দাবি, মাথার খুলি থেকে মাংস ছিঁড়ে খাচ্ছিলেন সিকন্দর। এমনকী মা ও স্ত্রীর মাংসের টুকরো জনতার ভিড়ে ছুড়ে ফেলতে থাকেন। এই দৃশ্য দেখে আতঙ্ক ছোটাছুটি শুরু করে মানুষ। অনেকে ভয়ে আর্তনাদ করতে থাকেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত সিকন্দর গুপ্তকে।

কুশিনগরের ওই গ্রামের নাম পার্সা। অভিযুক্ত ব্যক্তির সিকন্দর গুপ্ত।

কুশিনগরের পুলিশ সুপার কেশব মিশ্রা জানিয়েছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জোড়াখুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। মনরোগ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, অভিযুক্ত মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন বলেই এই কাণ্ড ঘটাতে পেরেছেন। নচেত ‘ক্যানিবলিজম’ বা নরমাংস ভক্ষণ কখনই সম্ভব নয়। বিচারের পাশাপাশি অভিযুক্তের মানিসক রোগের চিকিৎসা হওয়া উচিত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.