সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমেরিকা সফরের প্রশংসা করছিলেন আগেই। এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গোয়েলের সঙ্গে হাসিমুখে ছবি পোস্ট করলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। শশীর সঙ্গে কংগ্রেসের যে ‘বিরহ’ পর্ব চলছে, সে কথা আর গোপন নেই। দলের সঙ্গে দূরত্ব অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন কেরলের তিরুঅনন্তপুরমের চারবারের সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে এই ছবি তাঁর বিজেপি যোগের জল্পনা বাড়াচ্ছে।
ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র সচিব জোনাথান রেনল্ডস এবং পীযুষ গোয়েলের সঙ্গে হাসিমুখে একটি ছবি পোস্ট করেছেন থারুর। সঙ্গে মোদি সরকারের বিদেশনীতির প্রশংসা। কংগ্রেস সাংসদ লিখছেন, “ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র সচিব জোনাথান রেনল্ডস এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গোয়েলের সঙ্গে কথা বলে বেশ ভালো লাগল। জানতে পারলাম দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির জট কাটার পথে। এটাকে স্বাগত জানাতেই হবে।” এই প্রথম নয়, ইদানিং বেশ ঘন ঘন কেন্দ্রের প্রশংসা করছেন শশী। তাতেই বিজেপি যোগের জল্পনা বাড়ছে।
এই মুহূর্তে কেরলের কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে সঙ্গে রীতিমতো বাদানুবাদ চলছে শশী থারুরের। আসলে শশী মনে করছেন, এই মুহূর্তে কেরলে কংগ্রেস নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে। সেকারণেই শেষদফায় বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করা যায়নি। এমনকী শশীর এও দাবি, যে তিনিই কেরলে কংগ্রেসের জনপ্রিয়তম নেতা। কংগ্রেসি ভাবধারার বাইরের বহু মানুষের কাছেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে। যা নিয়ে কেরল কংগ্রেসে রীতিমতো টানাপড়েন শুরু হয়। এর মধ্যে আবার শশী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমেরিকা সফর এবং কেরলের বাম সরকারের শিল্প নীতির প্রশংসা করেন। সব মিলিয়ে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব যে বেড়েছে সেটা স্পষ্ট। দিন কয়েক আগে খোদ রাহুল গান্ধী তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। তাতেও শশীর অভিমান বিশেষ মেটানো যায়নি।
কেরল রাজনীতিতে এখন একটাই জল্পনা, শশী বিজেপির দিকে পা বাড়াবেন নাকি বামদিকে মোড় নেবেন? আপাতত শশীর ভাবগতিক যেদিকে, তাতে মনে হচ্ছে গেরুয়া শিবিরের দিকেই ঝুঁকে কংগ্রেস সাংসদ।
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!