সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যেকোনও সন্তানের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মানুষ তার মা। কিন্তু সেই মা-ই যদি সন্তানের সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়ায়? শুনতে অবাক লাগলেও এমনই মর্মান্তিক এক ঘটনার সাক্ষী থাকল চেন্নাই (Chennai)। যেখানে নিজের মেয়েকেই ধর্ষণ করতে প্রেমিককে সাহায্য করল এক মহিলা। শুধু তাই নয়, এ কারণে গর্ভবতীও হয়ে পড়ে ১৪ বছর বয়সি নাবালিকা। সম্প্রতি সরকারি হোমে এক সন্তানের জন্মও দিয়েছে সে। ঘটনায় দুই অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মহিলার কয়েকবছর আগেই ডিভোর্স হয়েছিল। পরবর্তীতে শেখর নামে পেশায় এক রংয়ের মিস্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায় ওই মহিলা। এরপর মাঝেমধ্যেই ওই মহিলার সঙ্গে দেখা করতে আসত ওই ব্যক্তি। কিন্তু তার মাঝেই মহিলার ১৫ বছর বয়সি বড় মেয়েকে যৌন হেনস্তা করতে থাকে। এই বিষয়ে মা’কে জানালেও, ওই মহিলা নিজের মেয়েকে বাঁচানোর পরিবর্তে মানিয়ে নিতে বলে। এরপর ওই ব্যক্তির কুকীর্তির পরিমাণও বাড়তে থাকে। এর মধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই নাবালিকা।
[আরও পড়ুন: করোনার ধাক্কা অতীত! ডিসেম্বরে সব রেকর্ড ভেঙে দিল জিএসটি আদায়ের পরিমাণ]
একথা জানতে পেরে মেয়েকে ভাইয়ের বাড়িতে রেখে আসে অভিযুক্ত মহিলা। কিন্তু তার গর্ভবতী হওয়ার কথা না জানাননি। পরবর্তীতে মেয়েটি তার মামাকে পুরো বিষয়টি জানায়। এরপর বোনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত মহিলার ভাই। শেষপর্যন্ত যোগাযোগ করতে না পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হন। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। পকসো আইনে দু’জনের নামে মামলা দায়ের হয়। গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তদের। এদিকে, ওই নাবালিকাকে একটি হোমে পাঠানো হয়। সেখানে এক সন্তানের জন্মও দেয় সে।এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই অনেকেই নিন্দায় সরব হয়েছেন। কেউ কেউ দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি তুলেছেন, তো কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন, মা হয়ে কীভাবে ওই মহিলা মেয়ের এরকম সর্বনাশ করলেন?
[আরও পড়ুন: পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির ধ্বংসের ঘটনায় প্রতিবাদ ভারতের, চাপে ইমরান সরকার]
সর্বশেষ খবর
-
‘পাঠানদের বলো চৌহান আসছে’, অজয় দেবগনের গর্জনে খেপে লাল ক্ষত্রিয় পরিষদ! বিতর্ক চরমে
-
সব হারিয়ে ভাঙল ঘুম! অত্যাচারে ঘরছাড়াদের আইনি সহায়তা দিতে শুরু ‘এক ডাকে অভিষেক’
-
বারবার নোটিসেও হয়নি কাজ! শালিমার স্টেশনের বাইরের বসতিতে বুলডোজার, এলাকায় বিক্ষোভ
-
সেদ্ধ করতে গিয়ে চিড় ধরছে ডিমের খোলায়, সমাধান করবে একটিমাত্র পাতিলেবু!
-
অ্যান্টিবায়োটিক আর আগের মতো কাজ করছে না! সাধারণ সংক্রমণও কেন হয়ে উঠছে ভয়ংকর?