বঙ্গভোটে যুক্ত ৬৫ জন আধিকারিকের নাম নেই ভোটার তালিকায়। ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। এই আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন তাঁরা। শীর্ষ আদলত তাঁদের ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানানোর কথা বলে মামলা গ্রহণ করেনি। প্রধানবিচারপতি সূর্য কান্ত বেঞ্চের মন্তব্য, ‘ট্রাইব্যুনালে আবেদন করুন।’
আরও পড়ুন:
বিচারাধীন তালিকা থেকে বাদ যাওয়া ২৭ লক্ষ ভোটারদের মিলিয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদনের সংখ্যা ৩৪ লক্ষ। তাঁদের মধ্যে ৬৭ জন ভোটকর্মী রয়েছেন। এই ভোটকর্মীরা ভোটাধিকারের অনুমতির জন্য প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে আবেদন করেন। বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাঁদের আইনজীবী বলেন, “নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য জারি করা নোটিসে এপিক নম্বর উল্লেখ করা হয়েছিল। যা পরে মুছে ফেলা হয়। এখন, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ভোট দিতে পারছেন না। ট্রাইব্যুনালে আগে থেকেই আবেদন করা হয়েছে।” এই যুক্তি শুনে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, “ট্রাইব্যুনালে আবেদন করুন। ট্রাইব্যুনাল যথাপোযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “এই নির্বাচনে তাঁরা হয়তো ভোট দিতে পারবেন না। তবে আগামিতে তাঁদের ভোটাধিকার সুরক্ষিত করতে হবে।”
এসআইআরের ‘বিচারাধীন’ তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের জন্য ১৯টি টাইব্যুনাল গঠন করছে সুপ্রিম কোর্ট। বাতিল ভোটারদের আবেদন খতিয়ে দেখছেন প্রাক্তন বিচারপতি ও বিচারকরা। এর মধ্যেই ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, নির্বাচনের ২ দিন আগে পর্যন্ত যাঁদের নাম ট্রাইব্যুনাল ‘যোগ্য’ বলে মনে করবে তাঁরা ভোট দিতে পারবে। সেই মোতাবেক প্রথম দফার নির্বাচনের আগে ১৩৯ জন ভোটারের নাম চূড়ান্ত তালিকায় যুক্ত হয়। ২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে ২৭ তারিখ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। সেখানে যাঁদের নাম তালিকায় যুক্ত হবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
হেমন্ত সরকারের থেকে সমর্থন তুলুন, রাহুলকে চ্যালেঞ্জ রাঁচির পড়ুয়াদের, পোড়ানো হবে কুশপুতুলও
-
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী আশিসের রহস্যমৃত্যু! বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে উদ্ধার দেহ
-
রাজ্যপালের দিকে পিছন ঘুরে দাঁড়ানোর ‘শাস্তি’! ৪ বছর ধরে কুচকাওয়াজে ব্রাত্য মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়া
-
সাহগেল হোসেনের ফ্ল্যাটে উদ্ধার সোনা, বিপুল সম্পত্তির নথি! আটক অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে নদিয়ায় জোড়া খুন! গুলিতে ঝাঁঝরা কংগ্রেস নেতা এবং তাঁর ছেলে