Sonam Wangchuk

‘এখনও বেঁচে আছি’, হাসপাতাল থেকে বার্তা সোনমের, বিদেশি ডিগ্রি কটাক্ষে ইনস্টা ছাড়লেন ধর্মেন্দ্রকন্যা

Sonam Wangchuk Hunger Strike: হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই তিন মিনিটের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সোনম। সেখানে তিনি বলেন, “আমি এখনও বেঁচে আছি। আমার ওজন প্রায় ১১ কেজি কমে গিয়েছে। পেশীর শক্তিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে আমি ভালো আছি।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৬, ১৭:৪৮

options
link
‘এখনও বেঁচে আছি’, হাসপাতাল থেকে বার্তা সোনমের, বিদেশি ডিগ্রি কটাক্ষে ইনস্টা ছাড়লেন ধর্মেন্দ্রকন্যা
বিদেশি ডিগ্রি নিয়ে সমাজমাধ্যমে কটাক্ষের শিকার ধর্মেন্দ্রর কন্যা নৈমিশা।

বুধবার অনশনের ২৫তম দিনে হাসপাতাল থেকে ফের বার্তা দিলেন পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। বললেন, “আমি এখনও বেঁচে আছি।” টানা অনশনের জেরে তাঁর ওজন প্রায় ১১ কেজি কমে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে লাগাতার কটাক্ষের মুখে ইনস্টাগ্রাম ছাড়লেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের কন্যা নৈমিষা প্রধান।

Advertisement

অনেকের প্রশ্ন, কেন শিক্ষামন্ত্রীর কন্যা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়েছেন? কারও কারও মতে, এটি ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আস্থার অভাবকেই প্রতিফলিত করে।

হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই তিন মিনিটের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সোনম। সেখানে তিনি বলেন, “আমি এখনও বেঁচে আছি। আমার ওজন প্রায় ১১ কেজি কমে গিয়েছে। পেশীর শক্তিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে আমি ভালো আছি।” সংসদ অভিযানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। সোনম জানান, ছাত্র-যুবদের সংযম তাঁর মনে আলোড়ন জাগিয়েছে। অনশন চালিয়ে যাওয়ার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করেছে। তাঁর কথায়, “শিক্ষার্থীদের আমি কুর্নিশ জানাই। লাঠিচার্জের মুখেও তাঁরা পালটা কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।” 

Advertisement

এদিকে বিদেশি ডিগ্রি নিয়ে সমাজমাধ্যমে কটাক্ষের শিকার ধর্মেন্দ্রর কন্যা নৈমিশা। ২০২৩ সালে তিনি আমেরিকার টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘দ্য ফ্লেচার স্কুল’ থেকে আইনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পড়াশোনা শেষের পর নৈমিশা ইন্দো-আমেরিকান স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরাম-এ সিনিয়র আধিকারিক হিসাবে যোগ দেন। গোটা বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে তাঁকে কটাক্ষ করেছেন নেটিজেনরা। অনেকের প্রশ্ন, কেন শিক্ষামন্ত্রীর কন্যা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়েছেন? কারও কারও মতে, এটি ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আস্থার অভাবকেই প্রতিফলিত করে। শুধু তাই নয়, নৈমিশাকে কুরুচিকর মন্তব্যও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে বুধবার তিনি ইনস্টাগ্রাম ত্যাগ করেন।  

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.