সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণা (ISRO) সংস্থার আজকের সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন তিনি। প্রয়াত হলেন পদ্মভূষণ মহাকাশবিজ্ঞানী একনাথ বসন্ত চিটনিস। শতবর্ষে ছুঁয়ে জীবনাবসান হল টেলিযোগাযোগের কৃত্রিম উপগ্রহের জনকের।
১৯২৫ সালের ২৫ জুলাই মহারাষ্ট্রের কোলাপুরে জন্ম চিটনিসের। সদ্য স্বাধীন দেশকে বিজ্ঞানমুখী করা তোলার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল একনাথ চিটনিসের। ইসরো প্রতিষ্ঠার সময় কিংবদন্তি বিজ্ঞানী হোমি জাহাঙ্গির ভাবার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেন চিটনিস। সেই সময়কার তরুণ বিজ্ঞানীদের দলে ছিলেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামও। ভাবার ডাকে আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে এসেছিলেন চিটনিস। যদিও এরপর ফের নাসায় গিয়ে রকেটের যন্ত্রাংশ নির্মাণের প্রশিক্ষণ নেন তিনি। দেশে ফিরে দেশের প্রথম টেলিযোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ ‘ইনসাট’ নির্মাণে নেতৃত্ব দেন। যা ভবিষ্যত ভারতের মহাকাশ গবেষণার পথ প্রশস্ত করেছিল।
ज्येष्ठ अवकाश शास्त्रज्ञ, पद्मभूषण डॉ. एकनाथ चिटणीस यांच्या निधनानं देशाच्या वैज्ञानिक क्षेत्रानं एक दूरदृष्टी असलेलं प्रगल्भ व्यक्तिमत्व गमावलं आहे. इस्रोच्या जडणघडणीत त्यांनी बजावलेली भूमिका अत्यंत मोलाची आहे. त्यांच्या संशोधन आणि दूरदृष्टीमुळे भारतानं अवकाश क्षेत्रात अभूतपूर्व… pic.twitter.com/DR6KS16EvI
Advertisement— Ajit Pawar (@AjitPawarSpeaks) October 22, 2025
শতায়ু ভারতীয় মহাকাশবিজ্ঞানীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার। ১৯৮৫ সালে ভারত সরকারের তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার পদ্মভূষণে সম্মানিত হন চিটনিস।
সর্বশেষ খবর
-
ব্রিগেডে ৩ লক্ষাধিক ভক্তের সমাগমে হবে রামকথা! গীতাপাঠের পর নতুন কর্মসূচি শহরে
-
পুজোর চারদিন ‘স্পেশাল ক্যান্টিন’, দরিদ্রদের মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ উদ্যোগ কৌস্তভের
-
অমৃতার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সইফের জীবনে ‘ওগো বিদেশিনী’! ‘ঘর ভাঙানি’র ভূমিকায় করিনা?
-
গান্ধীর সঙ্গে হাজতবাস, ১০০ বছর বয়সেও বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েছেন কলকাতার বিপ্লবী সইফউদ্দিন
-
সূচি ঘোষণার পরেও বদলে যাচ্ছে দিনক্ষণ! গণেশ চতুর্থীতে ভারত-আফগানিস্তান লড়াই?