সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জোরে কথা বললে ছড়াতে পারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। তাই বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন বিধায়কদের সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি আস্তে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন হিমাচল প্রদেশের স্পিকার। তাঁর এই নির্দেশের কথা জানাজানি হতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। সুযোগ বুঝে কটাক্ষ করছে বিরোধীরাও।
সোমবার থেকে হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh) -এর বিধানসভা অধিবেশন শুরু হয়েছে। আর প্রথমদিনেই বিরোধী দলনেতার প্রস্তাব পেশের পরে হাসিঠাট্টায় মেতে ওঠেন বেশকিছু বিধায়ক। কেউ কেউ চিৎকার করে কথাও বলতে থাকেন। এর জেরে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায় বিধানসভার অধ্যক্ষ বিপিন সিং পারমার (Vipin Singh Parmar) -কে। তাই মঙ্গলবার অধিবেশন শুরু হওয়ার পরেই বিধায়কদের আস্তে কথা বলার নির্দেশ দেন তিনি।
[আরও পড়ুন: ‘হিন্দুদের দিকে আঙুল তুললে হাত কেটে নেব’, হুমকি তেলেঙ্গানার বিজেপি সভাপতির ]
এপ্রসঙ্গে বলেন, ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর অনুযায়ী জোরে কথা বললেও ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই নোভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে স্বাভাবিক ভাবে কথা বলুন। সরকারি নিয়ম মেনে বিধানসভা অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি এই বিষয়টিও মাথায় রাখুন। সেই সঙ্গে যে সমস্ত বিধায়কদের শরীরে জ্বরভাব রয়েছে তাঁদের এই অধিবেশনে আসার দরকার নেই। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকাই ভাল। তা সত্ত্বেও যদি আসতে হয় তাহলে বিধানসভায় ঢোকার আগে তাঁদের থার্মাল স্ক্রিনিং করিয়ে আসতে হবে।’
[আরও পড়ুন: ‘অমিত মালব্যের মতো ব্যক্তিদের তাড়ানো উচিত’, সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর নিশানায় বিজেপির IT Cell]
সর্বশেষ খবর
-
নেতাজির রাস্তা শ্যামাপ্রসাদের নামে! রামপুরহাটে শুরু জোর বিতর্ক
-
‘বাস্তবতা বদলানো যায় না’, এলএসি সংলগ্ন ২৭টি এলাকার নামবদলে চিনকে পালটা জবাব ভারতের
-
দলের স্ট্র্যাটেজিতে হাত নেই, কাজ শুধু টিকিট বুকিং! ফেডারেশনকে বিঁধে বাজাজ বললেন, ‘শেম অন ইউ’
-
নেতাজির নামে বিধায়ক সেবা কেন্দ্র, বির্তকের মাঝেই বড় ঘোষণায় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মুখ্যমন্ত্রীর
-
জাতীয় সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে সিকিমের একমাত্র মেয়ে, বাইচুং কন্যাই যেন শিবরাত্রির সলতে