Ram Mandir

আর অস্বীকার নয়! রামমন্দিরে চুরির অভিযোগের তদন্তে সায় ট্রাস্টের, সিট গঠন যোগীর

বিষয়টি পৌঁছেছে আদালতের দরজায়। সিবিআই তদন্ত চেয়ে এলাহাবাদ হাই কোর্টের লখনউ বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন মোহিত অশোক নামে এক আইনজীবী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৬, ০৯:১৩

options
link
আর অস্বীকার নয়! রামমন্দিরে চুরির অভিযোগের তদন্তে সায় ট্রাস্টের, সিট গঠন যোগীর
ফাইল ছবি।

রামমন্দিরের ভক্তদের দানের কোটি কোটি টাকা চুরি! অখিলেশ যাদবের অভিযোগের ভিত্তিতে এবার তদন্ত শুরু করছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। রাম মন্দিরের প্রণামী বাক্স থেকে টাকাচুরির ঘটনায় ৩ সদস্যের সিট গঠন করল উত্তরপ্রদেশ সরকার। সূত্রের খবর, ওই ঘটনায় রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে অভিযোগ পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজে তদন্তের নির্দেশ দেন।

Advertisement

রামমন্দিরে ভক্তদের দানের কোটি কোটি টাকা চুরি গিয়েছে! সম্প্রতি এমনই অভিযোগ তুলে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। তিনি সম্প্রতি দাবি করেন, ‘বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা রামভক্তদের জন্য এটি অত্যন্ত দুঃখের খবর। রামমন্দিরে ভক্তদের দান করা কোটি কোটি টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনা মন্দির ট্রাস্টের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও অস্বস্তিকর। কেউই সামনে এসে এই ইস্যুতে মুখ খুলতে চাইছেন না।’ পাশাপাশি এই বিষয়ে আদালতের তত্ত্বাবধানে হস্তক্ষেপ দাবি করেন অখিলেশ।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে টাকাচুরির অভিযোগ নাকচ করে দেয় ট্রাস্ট। দিল্লি থেকে অযোধ্যায় এসে এসবিআই ব্যাঙ্কের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মন্দির ট্রাস্টের প্রধান নৃপেন্দ্র মিশ্র ও সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই। পরে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে সন্দেহজনক লেনদেনের হদিশে পেয়েছে ট্রাস্টও। এবং ট্রাস্টের তরফেই যোগীর কাছে সিট গঠনের দাবিতে চিঠি দেওয়া হয়। ট্রাস্টের চিঠির পরই ৩ সদস্যের উচ্চস্তরীয় বিশেষ তদন্তকারী দল গড়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। ওই সিটে রয়েছেন আইএএস বিজয় বিশ্বাস পন্থ, পুলিশের প্রাক্তন আইজি কিরণ এস এবং উত্তরপ্রদেশের অর্থদপ্তরের বিশেষ সচিব নীল রতন।

Advertisement

এদিকে, বিষয়টি পৌঁছেছে আদালতের দরজায়। সিবিআই তদন্ত চেয়ে এলাহাবাদ হাই কোর্টের লখনউ বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন মোহিত অশোক নামে এক আইনজীবী। পাশাপাশি, কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলকে (ক্যাগ) দিয়ে ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টের স্পেশাল ফরেনসিক অডিট করানোরও আর্জি জানিয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট উল্লেখ করে তিনি জানান, দানের অর্থ নয়ছয় হয়েছে। ট্রাস্টের চার কর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এক অভিযুক্তের অ্যাকাউন্ট থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কিন্তু তার পরেও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাস্টের মুখপাত্র গোপাল রাও এবং নিরাপত্তা আধিকারিক বলরামচারী দুবে। তাই নিরপেক্ষ অভ্যন্তরীণ তদন্ত হওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন আবেদনকারী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.