Justice Ujjal Bhuyan

‘বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে পুলিশ’, প্রতিবাদীদের উপর ‘অত্যাধিক বলপ্রয়োগে’ ব্যাথিত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি

দিন কয়েক আগেই যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল সুপ্রিম কোর্ট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৬:৫৩

options
link
‘বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে পুলিশ’, প্রতিবাদীদের উপর ‘অত্যাধিক বলপ্রয়োগে’ ব্যাথিত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি
ফাইল ছবি।

দিন কয়েক আগেই যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত বলে দিয়েছিল, রাষ্ট্রের নামে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ পরিস্থিতি বিপজ্জনক করে। শীর্ষ আদালতের নিশানায় ছিল দিল্লি পুলিশ। এবার সুপ্রিম কোর্টেরই এক বিচারপতি এজলাসের বাইরের এক অনুষ্ঠানে সার্বিকভাবে পুলিশের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন। বিচারপতি উজ্জ্বল ভূঁইয়া (Justice Ujjal Bhuyan) সামগ্রিকভাবে পুলিশি ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি তোলেন।

Advertisement

প্রাক্তন আইপিএস অফিসার যশোবর্ধন আজাদের লেখা ‘পোলিসিং দ্য রিপাবলিক’ নামের একটি বইয়ের উদ্বোধনী মঞ্চে ভাষণ দিতে গিয়ে বিচারপতি ভূঁইয়া বলেন, “যখন দেখি তরুণ ও পদস্থ আধিকারিকেরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদী আন্দোলনকারী ও বিক্ষোভকারীদের গায়ে ব্যক্তিগতভাবে হাত তুলছেন, মারধর করছেন, তখন ভীষণ হতাশ হই। এটা দেখা অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক।” তাঁর আক্ষেপ, “পুলিশের কাছ থেকে নিরপেক্ষতা কাম্য, সেই নিরপেক্ষতাই ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। এটা কিন্তু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পক্ষে অত্যন্ত গুরুতর ও উদ্বেগের বিষয়। অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ না করেই সমস্যা সমাধান করা যায়।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বলছেন, “বেশির ভাগ সাধারণ মানুষের কাছে রাস্তায় লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ রাষ্ট্রশক্তির প্রতীক। সাধারণ মানুষ যখন কোনও অন্যায়ের শিকার হন, তখন ন্যায়বিচারের আশায় এই পুলিশের কাছেই ছুটে যান। তাই পুলিশের জন্য বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।” ওই সভা থেকেই হেফাজতে মৃত্যু নিয়েও সরব হন বিচারপতি। তিনি বলেন, “যে কোনও সভ্য সমাজ আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত। তদন্ত চলাকালীন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় বা হেফাজতে যে কোনও ধরনের নিষ্ঠুরতা অমানবিক।”

Advertisement

সদ্য দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ ভবন অভিযানে ব্যাপক লাঠিচার্জ করার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ। মহিলা আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এমনকী ওই বিক্ষোভে পেলেট গান বা ছররা বন্দুক চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য শুধু দিল্লি নয়, বিভিন্ন রাজ্যেও পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে পড়ুয়াদের উপর। সেই নিয়ে শীর্ষ আদালত আগেই বলেছে, “রাষ্ট্রের নামে যদি কারও উপর আগ্রাসন নেমে আসে তাহলে বিক্ষোভকারীরা অহেতুক হিংসার রাস্তা বেছে নেন। তাই এই পরিস্থিতি এড়াতে হবে।” তবে একই সঙ্গে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, এই ধরনের পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে, সেটা ঠিক করবে দায়িত্বে থাকা সুরক্ষা বাহিনীই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.