Supreme Court

‘সব কিছুর সীমা আছে’, উপাসনালয় আইন নিয়ে নতুন মামলায় ধমক প্রধান বিচারপতির

গত বছর শীর্ষ আদালত হিন্দুপক্ষের দায়ের করা ১৮টি মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৫, ১৬:২০

options
link
‘সব কিছুর সীমা আছে’, উপাসনালয় আইন নিয়ে নতুন মামলায় ধমক প্রধান বিচারপতির
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উপাসনালয় আইন, ১৯৯১ সংক্রান্ত নতুন নতুন আর্জি সংক্রান্ত বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না রীতিমতো বিরক্তি প্রকাশ করে বলেছেন, ”যথেষ্ট হয়েছে। সব কিছুর একটা শেষ আছে।” সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, শীর্ষ আদালতে আর এই বিষয়ে কোনও মামলার শুনানি হবে না।

Advertisement

তবে, আদালত অতিরিক্ত কারণ দেখিয়ে হস্তক্ষেপের পিটিশন জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত দায়ের হওয়া মামলায় নতুন আবেদনের বিষয়ে নোটিশ জারি করতে অসম্মত হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর, শীর্ষ আদালত হিন্দুপক্ষের দায়ের করা ১৮টি মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। আবেদনগুলিতে জ্ঞানবাপী, মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদ এবং সম্ভালের শাহি জামা মসজিদ-সহ ১০টি মসজিদের পর্যবেক্ষণের আর্জি জানানো হয়েছিল। হিন্দু গোষ্ঠী এবং ডানপন্থী সংগঠনগুলি এর বিরোধিতা করেছিল। যদিও বিরোধী দলগুলি শীর্ষ আদালতকে সমর্থন জানিয়েছিল।

Advertisement

প্রসঙ্গত, এই আইন পাশ হয়েছিল ১৯৯১ সালে। আইন অনুসারে, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট যেমন ছিল, কোনও ধর্মীয় স্থানের চরিত্রকে সেখান থেকে পরিবর্তন করা যাবে না। যদিও রাম জন্মভূমি নিয়ে বিতর্ককে এর বাইরে রাখা হয়েছিল। যাদের আমলে এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল, সেই কংগ্রেস কিংবা এআইএমআইএম সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করে এই আইন কড়াভাবে লাগু করার জন্য। এদিকে সোমবার এক ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানান, এই আইন যেন প্রয়োগ করা হয় ঠিকমতো, কেননা প্রত্যেকের শান্তিপূর্ণ ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। আর সেই প্রসঙ্গেই প্রধান বিচারপতি বলেন, এর আগে তিনি নয়া পিটিশন দাখিল করার অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু সব কিছুরই একটা সীমা থাকা উচিত। তিনি বলেন, ”নতুন হস্তক্ষেপমূলক পিটিশন দায়ের করা যাবে। তবে অবশ্যই এমন কোনো যুক্তি থাকতে হবে, যা আগে তোলা হয়নি।” এদিকে আবেদনকারীদের আইনজীবী জানিয়েছেন, তাঁরা এবিষয়ে কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত শুনানি স্থগিত করা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.