Supreme Court

খারিজ রাজ্যের আরজি, রামনবমীতে অশান্তির তদন্তভার NIA-র হাতেই, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

সুপ্রিম নির্দেশে রামনবমীর অশান্তিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে আর বাধা রইল না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৩, ১৮:১১

options
link
খারিজ রাজ্যের আরজি, রামনবমীতে অশান্তির তদন্তভার NIA-র হাতেই, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা রাজ্যের। রামনবমীতে হাওড়া, রিষড়া, ডালখোলায় অশান্তির ঘটনায় এনআইএ তদন্ত প্রত্যাহারের আবেদন খারিজ করল শীর্ষ আদালত। অর্থাৎ রামনবমীর অশান্তিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে আর বাধা রইল না।

Advertisement

রামনবমী মিছিল ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল হাওড়ার শিবপুর, হুগলির রিষড়া ও ডালখোলা। অশান্তির রেশ ছিল কয়েকদিন। সেই অশান্তির ঘটনায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। সেই মামলায় রাজ্যের তরফে বলা হয়েছিল, রাজ্যের এই ঘটনায় কেন্ত্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কোনও প্রয়োজন নেই। পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল, কে বা কারা এই অশান্তিতে উসকানি দিয়েছে বা লাভবান হয়েছে, তা জানা রাজ্য পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় সংস্থা প্রয়োজন। তদন্তভার নিতে প্রস্তুত বলেও আদালতে জানিয়েছিল NIA।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের কৃতীদের ফোন করে শুভেচ্ছা খোদ মুখ্যমন্ত্রীর, সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাসও]

এরপরই হাওড়া, রিষড়া, ডালখোলার অশান্তির তদন্তভার এনআইএর’র হাতে দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে যায় রাজ্য। এবার সেই মামলার শুনানিতে হাই কোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ রামনবমীর দিন শোভাযাত্রা ঘিরে হাওড়া, রিষড়া, ডালখোলায় যে সংঘর্ষ হয়েছিল এবং তার জেরে যে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছিল, তার তদন্ত চালিয়ে যাবে এনআইএ-ই।

Advertisement

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ৬টি মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরমধ্যে পাঁচটি হাওড়া ও রিষড়ার অশান্তি সংক্রান্ত এবং আরেকটি মামলা করা হয়েছে ডালখোলায় রামনবমীতে হিংসার ঘটনায়।

[আরও পড়ুন: এগরা বিস্ফোরণে রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের, ৪ সপ্তাহের মধ্যে দিতে হবে জবাব]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.