Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
হিমালয়ে হাহাকার
Nepal

মানস সরোবরের পথে নিখোঁজ দুর্গাপুরের দম্পতি, সব মিলিয়ে নেপালে নিখোঁজ বাংলার ৩৬

দম্পতির নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বুধবার রাতে তাঁদের বাড়িতে আসে পুলিশ।

Advertisement
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১০:১২

link
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১০:১২

options
link
মানস সরোবরের পথে নিখোঁজ দুর্গাপুরের দম্পতি, সব মিলিয়ে নেপালে নিখোঁজ বাংলার ৩৬ zoom
নেপালে বিপর্যয়ের পর থেকে নিখোঁজ দুর্গাপুরের দম্পতি।

নেপাল হয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা ছিল মানস সরোবরে। কিন্তু নেপালে বিপর্যয়ের পর থেকেই আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না দুর্গাপুরের বামুনারার এক দম্পতির সঙ্গে। তাঁদের নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বুধবার রাতে তাঁদের বাড়িতে আসে পুলিশ। এই ঘটনায় উদ্বেগে রয়েছেন আত্মীয় থেকে শুরু করে এলাকার বাসিন্দারা। এই দম্পতিকে নিয়ে রাজ্যের মোট ৩৬ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩০ জন কলকাতার বাসিন্দা।

নিখোঁজ ওই দম্পতির নাম অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় ও মৌসুমী গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁরা চলতি মাসের ২১ তারিখ একটি সংস্থার সঙ্গে মানস সরোবরে যাওয়ার জন্য রওনা দেন। তাঁদের নেপাল হয়ে মানস সরোবরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু নেপালে বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁদের আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, মোট ৩৬ জন ওই সংস্থার সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে ৩০ জন কলকাতার বাসিন্দা। বাকি ৬ জন দুর্গাপুরের বাসিন্দা। নেপালে বিপর্যয়ের পর প্রত্যেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবার সকালে তাঁদের নেপাল-তিব্বত সীমান্ত পেরনোর কথা ছিল বলেই খবর। কিন্তু বিপর্যয়ের পর থেকে তাঁদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। অরিন্দমের পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাত ১১টার সময় শেষবার অরিন্দম ও মৌসুমীর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। বুধবার সকালে নেপালে বিপর্যয় শুরু হওয়ার পর তাঁদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি। যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন রয়েছেন পরিবারের সদস্য ও এলাকার বাসিন্দারা। খবর পেয়ে বুধবার রাতে তাঁদের বাড়িতে আসে পুলিশ।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দা গৌতম অধিকারী বলেন, “ওঁনাদের নেপাল হয়ে মানস সরোবর বেড়াতে যাওয়ার কথা ছিল। এর আগেও দু’দিন আমি ফোন করেছিলাম। ফোন বেজেছিল, কিন্তু উনি রিসিভ করতে পারেননি। কিন্তু নেপালের ভয়ংকর ঘটনার পর থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা খুব চিন্তায় রয়েছি, উদ্বিগ্ন রয়েছি।”

বলে রাখা ভালো, বুধবার সকাল থেকেই আচমকা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরপরই চিন সীমান্তবর্তী ওই জেলায় হড়পা বান নামে। আকস্মিক বন্যার জেরে রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চলে রসুয়া জেলায়। চিনের সংবাদ সংস্থা ‘সিনহুয়া’র খবর অনুযায়ী, হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিব্বতের গাইরং প্রদেশ-সহ বহু এলাকা। সেখানেও হতাহতের সংখ্যা বহু। হড়পা বানের কারণ নিয়ে নানা মত উঠে আসছে। নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগ জানিয়েছে, রসুয়ায় ভারী বৃষ্টির জেরে এই বিপর্যয় ঘটেছে, এমন সম্ভাবনা কম। ফলে তিব্বত থেকে জল নেমে আসার বিষয়টিই প্রকট। হিমবাহের জলাধার ভাঙা বা ‘গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড’-এর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নেপাল পর্যটন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে অন্তত ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ। তাঁদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.