Sydney Bondi Beach Terror Attack

সেনা আধিকারিকের ছেলেই জঙ্গি! সিডনি হত্যাকাণ্ডে হায়দরাবাদ যোগের পর প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

সাজিদের বড় ভাই একজন চিকিৎসক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ১৬:১৮

options
link
সেনা আধিকারিকের ছেলেই জঙ্গি! সিডনি হত্যাকাণ্ডে হায়দরাবাদ যোগের পর প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
হামলাকারী দুই জঙ্গি সাজিদ ও তার পুত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিডনির বন্ডি বিচে ইহুদিদের উপর নির্বিচারে গুলি চালানো জঙ্গি সাজিদ আক্রমের ভারত যোগ ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। এবার জানা গেল, ভয়ংকর এই জঙ্গির বাবা ছিলেন ভারতীয় সেনার এক আধিকারিক। শুধু তাই নয়, সাজিদের বড় ভাই একজন চিকিৎসক।

Advertisement

রবিবার দুপুরে সিডনির অদূরে বিখ্যাত বন্ডি বিচে ‘হানুকা’ উৎসবে অন্তত ১০০০ জন শামিল হয়েছিলেন। উৎসব চলাকালীন দুই বন্দুকবাজ ঢুকে পড়ে সেখানে। এরপরই ভিড়ে ঠাসা ওই অঞ্চলে শুরু হয় গুলিবৃষ্টি। নিমেষে রক্তে লাল হয়ে যায় সোনালি বেলাভূমি। একে একে ১৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। শিশু, মহিলা কাউকেই রেয়াত করা হয়নি। ইহুদিদের উৎসবে হামলা চালানো দুই জঙ্গি হল সাজিদ আক্রম (৫০) ও তার পুত্র নাভিদ আক্রম (২৪)। সম্পর্কে এরা পিতা-পুত্র। এরপর থেকে তদন্ত যত এগোতে থাকে প্রকাশ্যে আসে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, এই হত্যাকারীদের যোগ রয়েছে ভারতের সঙ্গে। জঙ্গি সাজিদের শিকড় আসলে হায়দরাবাদ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তেলেঙ্গানা পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের তরফে জানা গিয়েছে, সাজিদ এক সময় হায়দরাবাদের টলি চৌকির আলো হাসনাথ কলোনির বাসিন্দা ছিল। তার বাবা ছিল ভারতীয় সেনার এক আধিকারিক। এবং তার বড় ভাই একজন চিকিৎসক। তিনি এখনও হায়দরাবাদেই থাকেন। তেলেঙ্গানার ডিজিপি শিবধর রেড্ডি বলেন, ২০০৯ সালে সাজিদের বাবার মৃত্যু হয়। সেই সময়েও ভারতে আসেনি সে। গত ২৭ বছর মোট ৬ বার ভারতে আসে এই জঙ্গি। প্রতিবারই সে এসেছিল সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে।

Advertisement

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ভারত ছাড়ার আগে সাজিদের কোনও অপরাধমূলক রেকর্ড ছিল না। হায়দরাবাদের আনোয়ার-উল-উলূম কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে সাজিদ। এরপর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে সেখানে এক খ্রিস্টান মেয়েকে বিয়ে করে সে। তার দুই ছেলে-মেয়ে। ২০০১ সালে স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিল সাজিদ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন