Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Deshapriya Park

দেশপ্রিয় পার্কে মণ্ডপ ‘ভাঙচুর’, প্রশ্নের মুখে পুজোর ভবিষ্যৎ! কী জানালেন রাসবিহারীর বিধায়ক?

এবার দেশপ্রিয় পার্কে ৭০ ফুটের মণ্ডপ তৈরির পরিকল্পনা ছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৩:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৩:০১

options
link
দেশপ্রিয় পার্কে মণ্ডপ ‘ভাঙচুর’, প্রশ্নের মুখে পুজোর ভবিষ্যৎ! কী জানালেন রাসবিহারীর বিধায়ক? zoom
রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। ফাইল ছবি
Advertisement

দেশপ্রিয় পার্কের বালিগঞ্জ সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির মণ্ডপ ভাঙচুরের অভিযোগ। এবার ৮৯ তম বছরে পা দিতে চলেছে এই পুজো। প্রশ্ন উঠছে, দক্ষিণ কলকাতার জনপ্রিয় পুজোর ভবিষ্যৎ কি তবে অনিশ্চয়তার মুখে? এই পরিস্থিতি নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত।

রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, “প্যান্ডেল ধ্বংস করা হয়নি। কোনও কিছু ভেঙে দেওয়া হয়নি। দেশপ্রিয় পার্কের পুজো নিয়ে দুই কমিটির বিবাদ আছে।”

জানা গিয়েছে, বালিগঞ্জ সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতিতে কমিটি নিয়ে মতান্তর রয়েছে। একপক্ষের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বহু বছর ধরে ওই পুজো কবজা করে রেখেছেন বেশ কয়েকজন। বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে স্থানীয়দের অনেকেই আর পুরনো কমিটির কর্তৃত্ব মানতে চাননি। তবে এই চাপানউতোরের মাঝেও পার্কে সাধারণ মানুষের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। শুরু হয় জোরদার পুজোর প্রস্তুতি। মণ্ডপ তৈরির কাজ এগোতে থাকে। এবার সেখানে ৭০ ফুটের মণ্ডপ তৈরির পরিকল্পনা ছিল। গত ২৮ জুন খুঁটিপুজো হয়। কমিটির দাবি, গত ৯ আগস্ট রাত আটটা নাগাদ ৪০-৫০ জন বহিরাগত যুবক মণ্ডপে আসে। কাউকে কিছু না বলে ভাঙচুর করতে শুরু করে। কার্যত তাণ্ডব দেখিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায় তারা। গত ১১ আগস্ট এই মর্মে রবীন্দ্র সরোবর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এদিকে, এই ঘটনায় আপাতত পার্ক বন্ধ। সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশও বন্ধ রাখা হয়েছে।

Advertisement

এই ঘটনা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলছে জোর আলোচনা। রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, “প্যান্ডেল ধ্বংস করা হয়নি। কোনও কিছু ভেঙে দেওয়া হয়নি। দেশপ্রিয় পার্কের পুজো নিয়ে দুই কমিটির বিবাদ আছে। গত ১০-১২ দিন আগে কেএমসি থেকে বিভিন্ন জায়গায় তাদের নোটিস দেওয়া হয়েছে স্ট্যাটাস জানতে। বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আদালতে একটা মামলাও চলছে। আমরা এইসব বিবাদ থেকে দূরে আছি। থাকব।” কলকাতার দুর্গাপুজোগুলির অরাজনীতিকরণের পক্ষে সওয়াল করেন বিধায়ক। তিনি জানান, “দুর্গাপুজো কমিটি আমাকে সভাপতি করার জন্য এসেছিল। আমি সবাইকে না বলেছি। আমি অরাজনৈতিককরণ আমার আদর্শ। আমি বলেছি, সব দুর্গাপুজোয় যাব। কোনও কমিটিতে থাকব না। কমিটির মধ্যে বিবাদ থাকলে নিজেরা মিটিয়ে নিন। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি যেন না আসে।” স্থানীয় বিধায়ক হিসাবে রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় থাকা পার্কগুলি খোলার বন্দোবস্ত করাই এখন প্রথম লক্ষ্য স্বপন দাশগুপ্তের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.