ধর্ষণ

তেলেঙ্গানায় ধর্ষিতা মেয়েকে আগলে সৎ মা, অভিযোগ দায়ের স্বামীর বিরুদ্ধে

১৩ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২০, ১৮:৩৮

options
link
তেলেঙ্গানায় ধর্ষিতা মেয়েকে আগলে সৎ মা, অভিযোগ দায়ের স্বামীর বিরুদ্ধে
ছবি: প্রতীকী ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রক্ষকই ভক্ষক হয়ে উঠেছেন তেলেঙ্গানায়। লকডাউনের মাঝে ১৩ বছরের নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে বাবার বিরুদ্ধে! খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু করে তারই পরিবার।

Advertisement

বাবা, সব মেয়েদের জীবনেই প্রধান আশ্রয় স্থল। শৈশব থেকেই মেয়েরা বাবাকে দেখে সমাজের বাকি পুরুষজাতি সম্পর্কে ধারণা তৈরি করে। কিন্তু সেই বাবাই যদি রক্ষকের ভূমিকার আড়ালে যদি ভক্ষক হয়ে ওঠে! তখন? এমনই হৃদয় বিদারক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে তেলেঙ্গানায়। ১৩ বছরের নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে খোদ নাবালিকার বাবার বিরুদ্ধে। জানা যায়, মার্চ মাসে লকডাউনের জেরে ছুটি ঘোষণা হয় দেশের সকল সরকারি বেসরকারি সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। তখনই ভিন জেলা থেকে বাড়ি ফেরে এই নাবালিকা। এরপরই নানা অছিলায় নির্যাতিতা বাবার লালসার শিকার হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।

Advertisement

[আরও পড়ুন:ভারতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ, বিশেষজ্ঞদের দাবিতে বাড়ছে উদ্বেগ]

তবে নাবালিকার ওপরে এই নির্যাতনের এই ঘৃণ্য অপরাধের খবর পরিবারের কেউই জানতেন না। সম্প্রতি পরিবারের একটি অনুষ্ঠানে নাবালিকাকে হুমকি দেওয়ার সময় অভিযুক্তের কীর্তিকলাপ ফাঁস হয় পরিবারের সামনে। এরপরই নির্যাতিতা সৎ মাকে সমস্ত ঘটনার কথা খুলে বলায় পরিবারের সকলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তেলেঙ্গানার কারানটোক থানায় পকসো (POCSO) আইনে মামলা রুজু করে।

Advertisement

[আরও পড়ুন:ডোনার জোগাড় করতে নাজেহাল মা, শংকর ডাক্তারের রক্তেই সুস্থ হল ছোট্ট জগন্নাথ]

প্রতিবেশিরা জানান যে, নাবালিকার বাবা একজন শ্রমিক। এই নিয়ে চার বার বিয়ে করেছেন তিনি। প্রথম দুই স্ত্রীয়ের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তৃতীয় স্ত্রীয়ের সন্তান এই নির্যাতিতা। তৃতীয় স্ত্রী মারা গেলে মেয়েকে ভিন জেলার একটি স্কুলে পাঠিয়ে দেন অভিযুক্ত। বর্তমানে ফের একটি বিবাহ করেন ৩৫ বছরের অভিযুক্ত শ্রমিক। তবে বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নতুন নয় এই দেশে। এই ধরণের আচরণের জন্য মনোবিদরা মানুষের হিংস্র মানুষিকতা ও খারাপ চিন্তাধারাকেই দায়ী করেছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.