Power Supply

দু’দিনের মধ্যে কয়লার জোগান না হলে অন্ধকারে ডুবতে চলেছে দিল্লি

তামিলনাড়ু, ওড়িশার এবার কয়লা সংকটে রাজধানী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০২১, ১৮:৫৭

options
link
দু’দিনের মধ্যে কয়লার জোগান না হলে অন্ধকারে ডুবতে চলেছে দিল্লি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর মাত্র দু’দিন। তার মধ্যে পর্যাপ্ত কয়লা না পেলে অন্ধকারে ডুবে যাবে রাজধানী দিল্লি (Delhi)। শনিবার এমনই দাবি করলেন দিল্লির বিদ্যুৎমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। এর আগে তামিলনাড়ু (Tamil Nadu) ও ওড়িশাও (Odisha) দাবি জানিয়েছে, কয়লার (Coal) জোগান স্বাভাবিক না হলে তাদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি অচল হয়ে পড়বে। এবার একই সুর শোনা গেল দিল্লি প্রশাসনের গলাতেও।

Advertisement

বিদ্যুৎমন্ত্রীর কথায়, ”যে সব তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি দিল্লিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, তাদের সকলের কাছে অন্তত ১ মাসের বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত থাকে। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে ১ দিনের বিদ্যুৎ রয়েছে। যদি বিদ্যুৎ সরবরাহে উন্নতি না হয়, তা হলে আগামী দু’দিনের মধ্যে দিল্লিতে ব্ল্যাকআউট হয়ে যাবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: আসন্ন ৫ রাজ্যের ভোটে উত্তরপ্রদেশ-সহ তিন রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতে পারে বিজেপি! বলছে সমীক্ষা]

দেশে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে ১৩৫টি। সারা দেশের প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের প্রায় ৭০ শতাংশই এখানে উৎপাদিত হয়। এই সব কেন্দ্রের অর্ধেকেরও বেশি কেন্দ্রে যা কয়লা রয়েছে, তাতে তিনদিনও চলবে না! সম্প্রতি এমনই তথ্য দিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে দিল্লির বিদ্যুৎমন্ত্রীর কেন্দ্রের কাছে আরজি, যত দ্রুত সব কেন্দ্রগুলিতে কয়লা পাঠানোর ব্যবস্থা করা হোক। তাঁর দাবি, সমস্ত কেন্দ্রই বর্তমানে মাত্র ৫৫ শতাংশ উৎপাদন করছে। সত্যেন্দ্র জৈনের অভিযোগ, এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। সেন্ট্রাল গ্রিড রেগুলেটরের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গিয়েছে অক্টোবরের প্রথম সাত দিনে যে পরিমাণ ঘাটতি হয়েছে তা সারা বছরের ঘাটতির ১১.২ শতাংশ।

[আরও পড়ুন: ‘অনেকেই অ্যাপ্লিকেশন জমা দিয়েছেন’, বিজেপিতে আরও বড় ভাঙনের ইঙ্গিত ফিরহাদ হাকিমের]

শনিবারই এই সমস্যা নিয়ে টুইট করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সেখানে তিনি জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়ে বিষয়টির সমাধানের আরজি জানিয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগত ভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন বলেও জানান অরবিন্দ। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন