দেশের বিভিন্ন জেলায়, বিভিন্ন শহরের অলিতে-গলিতে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন, যাঁরা কখনও প্রচারের আলোয় আসেন না৷ সবার অলক্ষ্যেই নিজেদের ‘ভাল কাজ’ চালিয়ে যান৷ যাঁদের কাছে অর্থ আর ব্যক্তিগত সাফল্যই শেষ কথা নয়৷ অন্যের আঘাতে তাঁরা ব্যথা পান৷ সমাজের দরিদ্র, অসহায়দের পাশে দাঁড়ান তাঁরা৷ এমন একজন অজানা নায়কের কথা ফুটিয়ে তোলা হল এই প্রতিবেদনে৷
বেঙ্গালুরুর মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র৷ ডাক্তারি পড়াতে অনেকটা সময়ই কেটে যায়৷ বাকি সময়টা তিনি কী করে জানেন? অটো রিক্সা চালান৷ হ্যাঁ, এই কাজে কোনও সংকোচ নেই তাঁর৷ বরং গর্ব বোধ করেন৷ কারণ অটো চালিয়ে উপার্জন করা অর্থ সমাজের কাজে লাগে৷
রোগীদের মেডিক্যাল কলেজে বিনা খরচে পৌঁছে দেন তিনি৷ তাঁর অটোতে রাখা থাকে একটি বাক্স৷ যাতে লেখা ‘গরিব ও দুস্থদের জন্য অনুদান দিন’৷ পরীক্ষায় ভাল নম্বর নিয়ে পাস করার জন্য হাসপাতালের সুপারিনটেন্ডেন্ট তাঁকে অটো রিক্সাটি উপহার দিয়েছিলেন৷ তখনই তিনি ঠিক করে ফেলেন, অটো চালিয়ে সাধারণের জন্য উপার্জন করবেন৷
আসলে দারিদ্রকে অত্যন্ত কাছ থেকে অনুভব করেছেন তিনি৷ চার ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাই পক্ষাঘাত রোগে আক্রান্ত৷ বাবার মৃত্যুর পরই দুই বোনের বিয়ে দেওয়ার দায়িত্বও তাঁর কাধেঁ এসে পড়ে৷ বড় চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন যেমন তিনি দেখেন, তেমনই চান তাঁর আশেপাশের মানুষরাও ভাল থাকুন৷ তাঁর এই সাধনাই প্রমাণ করে দেয়, মনুষ্যত্ব এখনও ফুরিয়ে যায়নি৷
সর্বশেষ খবর
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির
-
সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে মোবাইল ভাঙে জঙ্গি রানা! নোটবুক হাতড়ে খোঁজ মিলল ৬ পাক চরের