ইন্দিরা থেকে সোনিয়া, কংগ্রেস রাজনীতিতে সত্যিকারের ‘প্রিয়পাত্র’

রায়গঞ্জে এইমসের ধাঁচে হাসপাতালের স্বপ্ন অধরাই, আক্ষেপ নিয়েই বোধহয় চিরতরে চলে গেলেন সকলের প্রিয়দা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৪:০২

options
link
ইন্দিরা থেকে সোনিয়া, কংগ্রেস রাজনীতিতে সত্যিকারের ‘প্রিয়পাত্র’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ময়দান থেকে জাতীয় রাজনীতি। সর্বত্র তিনি সাবলীল। প্রিয়পাত্র। কোন পথে ভারতীয় রাজনীতিতে উত্থান হয়েছিল এই জ্যোতিষ্কের। এই প্রতিবেদনে খোঁজা হল সেই সব পথ।

Advertisement

[প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত, প্রতিক্রিয়া মুখ্যমন্ত্রীর]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সময়টা ১৯৭০-৭১। প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি তখন যুব কংগ্রেসের দায়িত্বে। এই সময় বাংলা খুঁজে পেয়েছিল অন্য এক রাজনীতিকে। এরপরই উত্তরণের কাহিনি। ইন্দিরা গান্ধীর সুনজরে পড়ে যাওয়া। সেবছরই দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে তিনি প্রথমবার সাংসদ হন প্রিয়রঞ্জন। ১৯৮৪ লোকসভা নির্বাচনে হাওড়া থেকে ফের সাংসদ নির্বাচিত হন। ডাক পান দিল্লির। কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন প্রিয়বাবু। তবে ৮৯ এবং ৯১ লোকসভা ভোটে তাঁকে হারতে হয়েছিল। দুবার হারলেও হাওড়া ছাড়েননি। ৯৬ সালে ফের এই কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন দাপুটে কংগ্রেস নেতা। পরে অবশ্য কেন্দ্র বদল করেন। চলে যান নিজের জেলা উত্তর দিনাজপুরে। ৯৯ এবং ২০০৪ সালের লোকসভা ভোটে টানা রায়গঞ্জ থেকে তিনি জেতেন। প্রথম ইউপিএ সরকারের আমলে জলসম্পদ উন্নয়ন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন প্রিয়রঞ্জন। পাশাপাশি সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকেও কিছু দিন ছিলেন।

Advertisement

[ইন্দ্রপ্রস্থে ইন্দ্রপতন, প্রিয়র প্রয়াণে শোকাহত অনুজ থেকে অগ্রজরা]

প্রায় তিন দশক দাপটের সঙ্গে জাতীয় রাজনীতিতে। বরাবরই তিনি ছিলেন সামনের সারিতে। ইন্দিরা গান্ধীর মতো সোনিয়ার জমানাতেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত আস্থাভাজন। বাজপেয়ীর সময় কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক হিসেবে বিজেপিকে আক্রমণ শানানোর দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিভা পাটিলের নির্বাচনের সময়ে প্রিয়বাবুর রাজনৈতিক দৌত্য এবং কৌশল এখনও মানেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। ২০০৮ সালে অসুস্থ হওয়ার পর প্রিয়রঞ্জনবাবু চিকিৎসার প্রয়োজনের ব্যাপারে ব্যক্তিগতভাবে যত্নশীল ছিলেন সোনিয়া গান্ধী। কংগ্রেস সভানেত্রীর উদ্যোগে প্রিয়বাবুকে নয়াদিল্লির এইমসে ভর্তি এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়। এত কিছুর পরও প্রশ্ন উঠে প্রিয়দাকে কি কংগ্রেস ভুলে গেল? সেই উত্তর না মিললেও প্রিয়রঞ্জনের ঘনিষ্ঠরা বলেন রায়গঞ্জে এইমসের ধাঁচে হাসপাতাল ছিল তাঁর স্বপ্ন। সেই আক্ষেপ নিয়ে বোধহয় চিরতরে চলে গেলেন সকলের প্রিয়দা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.