Twisha Sharma Case

তিশা শর্মা হত্যা মামলায় নয়া মোড়, সাক্ষীকে মারধর করে প্রভাবিত করার চেষ্টা!

সাক্ষীর দাবি, যারা এসেছিল তারা অভিযুক্ত সমর্থরই বন্ধু! পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২৬, ১৪:০০

options
link
তিশা শর্মা হত্যা মামলায় নয়া মোড়, সাক্ষীকে মারধর করে প্রভাবিত করার চেষ্টা!
খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ।

প্রাক্তন মিস পুণে তিশা শর্মার মৃত্যু মামলায় (Twisha Sharma Case) নতুন চাঞ্চল্য। অভিযোগ উঠল মামলার অন্যতম সাক্ষীকে মারধর করে আদালতে সাক্ষ্য না দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার! ইতিমধ্যেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত। শুরু হয়েছে তদন্ত। এখনও জানা যায়নি, দুষ্কৃতীরা কারা ছিল। তবে সাক্ষীর দাবি, যারা এসেছিল তারা অভিযুক্ত সমর্থরই বন্ধু!

Advertisement

অভিযোগকারী সমর্থর বাড়ির কাছেই সেলুন চালান। তাঁর দাবি, গত ৩০ মে আচমকাই সেলুনের পাশে তিনি আক্রান্ত হন। তাঁকে ঘিরে ধরে চার-পাঁচজনের একটি দল। নিগ্রহ করার পাশাপাশি তাঁকে জোর করা হতে থাকে আদালতে সাক্ষ্য দিতে না যাওয়ার জন্য। এরপরই ওই ব্যক্তি স্থানীয় থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের হাতে অস্ত্রশস্ত্রও লক্ষ করা গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অভিযোগকারীর দাবি, সেলুনের পাশে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁকে ঘিরে ধরেছিল চার-পাঁচজনের একটি দল। নিগ্রহ করার পাশাপাশি তাঁকে জোর করা হতে থাকে আদালতে সাক্ষ্য দিতে না যাওয়ার জন্য।

তিশা শর্মার মৃত্যুর পর প্রথম থেকেই তাঁর মা-বাবার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে হত্যা করা হয়েছে তাঁদের মেয়েকে। পরে দেহ ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা হয়েছে। দাবি, শ্বশুরবাড়িতে মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন তিশা। আর সেই কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বাবা নবনীধি শর্মা স্বীকার করেন, মেয়ের পাশে দাঁড়ানোর বদলে মধ্যবিত্ত মানসিকতা ও সমাজিক চাপের কারণেই যে কোনও মূল্যে বিয়েটা বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। এর জেরেই প্রতিভাবান মেয়েকে হারাতে হল। পুলিশ ইতিমধ্যেই তিশার শাশুড়ি গিরিবালা সিংকে গ্রেপ্তার করেছে। তিশার স্বামী সমর্থও আত্মসমর্পণ করেছেন। এরপরও মেয়ের জন্য ন্যায় চেয়ে দেহ নিতে অস্বীকার করেন তিশার অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি ছিল, আরও একবার ময়নাতদন্ত হোক তিশার। আদালত সেই দাবি মেনে নেয়। দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের পর দেহ তুলে দেওয়া হয় তিশার পরিবারের হাতে।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন