নাবালককে বেধড়ক মার

খেলার ছলে প্রতিবেশীর বাড়িতে, উত্তরপ্রদেশে গাছে বেঁধে ২ শিশুকে বেধড়ক মার

প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০, ১৬:৫৩

options
link
খেলার ছলে প্রতিবেশীর বাড়িতে, উত্তরপ্রদেশে গাছে বেঁধে ২ শিশুকে বেধড়ক মার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘অপরাধ’ বলতে প্রতিবেশীর বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল দু’জনে। সেখানেই শুরু করেছিল খেলাধুলো। কিন্তু শিশুদের চিৎকার চেঁচামেচি না-পসন্দ প্রতিবেশীর। তাই ওই কিশোরদের একটি গাছের সঙ্গে শক্ত করে বাঁধে প্রতিবেশী। শুরু হয় বেধড়ক মারধর। তাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে স্কুলপড়ুয়ারা। উত্তরপ্রদেশের আমরোহার পাথরা মুস্তকাম গ্রামের ঘটনায় নৃশংসতায় শিউরে উঠছেন প্রায় সকলেই।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন ওই দুই শিশু স্কুলে গিয়েছিল। বাড়ি ফিরে কোনওক্রমে খাওয়াদাওয়া সেরে খেলা করতে শুরু করে দুই বন্ধু। খেলতে খেলতে বিজয় সিং নামে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে ঢুকে পড়ে তারা। সেখানেই খেলতে শুরু করে দু’জনে। তবে বিজয় তাদের দেখে রেগে যায়। অভিযোগ, বেধড়ক মারধর করে তাদের। গাছে বেঁধে ফেলে হয় শিশুদের। চলে অকথ্য অত্যাচার। ভিডিও করা হয় নির্যাতনের। বর্তমানে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজনৈতিক প্রতিহিংসা! দিল্লির স্কুল পরিদর্শনে মেলানিয়া ট্রাম্প, অথচ আমন্ত্রিত নন মুখ্যমন্ত্রী]

এদিকে, সন্ধে গড়িয়ে গেলেও ছেলেরা বাড়ি না ফেরায় চিন্তায় পড়ে যান অভিভাবকরা। সন্তানদের খুঁজতে খুঁজতে বিজয় সিংয়ের বাড়ির কাছে পৌঁছন তাঁরা। প্রতিবেশীর বাড়ির ভিতর থেকে আর্ত চিৎকার শুনতে পান। দরজা ধাক্কা দিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়েন সকলে। দেখেন বিজয়ের বাড়ির ভিতর একটি গাছে বাঁধা রয়েছে শিশুরা। শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পড়ে দু’জনেই। তাদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়েছে। প্রতিবেশী বিজয় সিংয়ের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.