কন্যাসন্তান

কন্যাসন্তানকে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা দাদু-কাকুর, অটোচালকের তৎপরতায় রক্ষা

একেই বোধহয় বলে, রাখে হরি তো মারে কে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০১৯, ০৯:০২

options
link
কন্যাসন্তানকে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা দাদু-কাকুর, অটোচালকের তৎপরতায় রক্ষা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের ক্যানিংয়ে হাসপাতালের ভিতরেই সদ্যোজাত কন্যাসন্তানকে মাটিতে আছড়ে হত্যা করেছে প্রসূতির দিদি। ঠিক একইরকম শিউরে ওঠার মতো ঘটনা ঘটতে চলেছিল হায়দরাবাদে। সদ্যোজাত কন্যাসন্তানকে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চক্রান্ত করেছিল পরিবারের সদস্যরা।
সবার অলক্ষে সদ্যোজাত কন্যাসন্তানকে ব‌্যাগে পুরে অন‌্যত্র নিয়ে গিয়ে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা করেছিল তারই দাদু এবং কাকু। কিন্তু কথায় বলে না? রাখে হরি মারে কে! এক অটো চালকের দূরদর্শীতায় ভেস্তে গেল সব চক্রান্ত। রক্ষা পেল একরত্তি শিশুটি। দু’টি লোককে মাটিতে গর্ত খুঁড়তে দেখে সন্দেহ হয় ওই অটোচালক সঙ্গে সঙ্গে ফোন করেন পুলিশে। দুই অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঘটনা শুক্রবার সকালের। হায়দরাবাদের জুবিলি বাস স্ট‌্যান্ডের কাছে সন্দেহভাজন দু’জনকে ঘুরতে দেখা যায়। তারা সেখানেই গর্ত খুঁড়ে জ‌্যান্ত শিশুকে কবর দেওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু এক অটোচালকের কাছ থেকে ফোন পেয়েই দ্রুত সেখানে পৌঁছয় পুলিশ। দুই অভিযুক্তর কাছ থেকে ব্যাগে ভরা শিশুটিতে উদ্ধার করে পুলিশ। ব্যাগের ভিতরেই নড়াচড়া করছিল শিশুটি। পুলিশি জেরার মুখে দুই অভিযুক্ত তাদের পরিচয় স্বীকার করে নেয়। জানা যায় এরা শিশুটির দাদু এবং কাকু। দু’জনই করিমনগরের বাসিন্দা। পুলিশি জেরায় দু’জনেই নিজেদের দোষ স্বীকার করে। শিশুকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সংকটজনক অবস্থায় রয়েছে শিশুটি। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আর্থিক মন্দার প্রভাব চাকরির বাজারে, তিন বছরে সর্বাধিক বেকারত্বের হার!]

তদন্তকারী দলের পদস্থ অফিসার জানিয়েছেন, অটো চালকের সন্দেহ হওয়ায় গর্ত খোঁড়ার ভিডিও তুলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানান। পুলিশও দেরি না করে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছনোয় শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। জেরায় দুই অভিযুক্ত জানিয়েছে, কন্যাসন্তান হওয়ায় শিশুটিকে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। জেরায় ওই দু’জন অভিযুক্ত জানিয়েছে, তারা বাসে করে এসেছিল।  বাসেও অনেকেই ব‌্যাগটির কথা জানতে চেয়েছিলেন। সকলকেই তারা জানিয়েছিল যে, অস্ত্রোপচারের সময় তাদের শিশুকন‌্যাটি মারা গিয়েছে। তাকে কবর দেওয়ার জন‌্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু তদন্তকারী দলের অফিসার জানিয়েছেন, ব‌্যাগ খুলতেই দেখা যায়, শিশুটি জীবিত আছে। দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়।

Advertisement
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.