Umar Khalid

দিল্লি হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আর্জি খারিজ উমর খালিদ-শারজিল ইমামের

দাঙ্গার পরিকল্পনা ও সংগঠনে খালিদ এবং ইমামের কেন্দ্রীয় ভূমিকার প্রমাণ রয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৬:৪৬

options
link
দিল্লি হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আর্জি খারিজ উমর খালিদ-শারজিল ইমামের
ফাইল ছবি

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার ঘটনায় UAPA মামলায় অভিযুক্ত উমর খালিদ (Umar Khalid) এবং শারজিল ইমামের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে, একই মামলায় অভিযুক্ত বাকি পাঁচজন, গুলফিশা ফাতিমা, মীরান হায়দার, শিফা-উর-রেহমান, মহম্মদ শাকিল খান এবং শাদাব আহমেদকে সোমবার জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

Advertisement

২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে হওয়া দাঙ্গার ঘটনায় ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ও দাঙ্গা সংগঠিত করার ক্ষেত্রে খালিদ এবং ইমামের কেন্দ্রীয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলার কথা বিবেচনা করা, তাঁদের বিচারের আগেই দীর্ঘ কারাবাসের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গা মামলায় উমর খালিদ এবং শারজিল ইমামের ভূমিকার যে প্রমাণ প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে তাতে আদালত সন্তুষ্ট। এই প্রমাণ UAPA-এর অধীনে তাদের জামিনের আবেদন বিবেচনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

Advertisement

সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, খালিদ এবং ইমাম এক বছর পরে অথবা সুরক্ষিত সাক্ষীদের (Protected Witnesses) জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হওয়ার পরে ফের জামিনের আবেদন করতে পারবে। এই দুই শর্তের মধ্যে যে কোনও একটি পূরণ হলেই আর্জি জানাতে পারবে তাঁরা। আদালত জানিয়েছে, ভবিষ্যতে খালিদ এবং ইমামের আবেদন স্বাধীনভাবে বিবেচনা করা হবে। সেই বিবেচনাকে, সোমবারের নির্দেশ প্রভাবিত করবে না বলে জানানো হয়েছে।

Advertisement

অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্ট নিজের পর্যবেক্ষণে বলেছে, ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার UAPA মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তরা উমর খালিদ এবং শারজিল ইমামের তুলনায় ভিন্ন অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছেন। তাই, বাকি পাঁচ অভিযুক্তের ক্ষেত্রে বিচার শুরু আগে কারাবাসে রাখা প্রয়োজন নেই। তাঁদেরকে কিছু শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হবে।

সুপ্রিম কোর্ট নিজের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, সংবিধান ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিলেও, একে জাতীয় নিরাপত্তা এবং দেশের আইন শৃঙ্খলার সমস্যার থেকে আলাদা করে বিবেচনা করা যাবে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.