সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এসআইআরের কাজের চাপে রবিবার উত্তরপ্রদেশে আত্মঘাতী হয়েছেন আরও এক বুথ স্তরের আধিকারিক (বিএলও)। মৃতের নাম সর্বেশ সিং। পেশায় তিনি একজন শিক্ষক ছিলেন। আত্মহত্যার ঠিক আগের মুহূর্তে রেকর্ড করা তাঁর একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে (যদিও এই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। কাঁদতে কাঁদতে তিনি জানিয়েছেন, বিগত কুড়ি দিন ধরে তিনি ঘুমাতে পারছিলেন না।
সর্বেশ উত্তরপ্রদেশের মুরাদাবাদের বাসিন্দা ছিলেন। গত ৮ বছর ধরে জাহিদপুরে এক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন তিনি। সম্প্রতি তিনি বিএলও হিসাবে এসআইআরের কাজের দায়িত্ব পান তিনি। কিন্তু প্রবল কাজের চাপে তিনি আত্মঘাতী হন বলে অভিযোগ। রবিবার সকালেই নিজের ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতদেহের পকেট থেকে উদ্ধার হয়েছে তিন পাতার একটি সুইসাইড নোটও।
এরপর সোমবার তাঁর একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। দাবি করা হচ্ছে, আত্মহত্যার ঠিক আগের মুহূর্তে তিনি সেই ভিডিওটি রেকর্ড করেছিলেন। ভিডিওতে সর্বেশ কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “দিদি, আমাকে ক্ষমা করে দিও। মা, আমার সন্তানদের খেয়াল রেখো। আমি এই নির্বাচনের কাজে ব্যর্থ হয়েছি। তাই আমি চরম পদক্ষেপ করছি। এর জন্য কেবল আমিই দায়ী। কারও কোনও দোষ নেই। আমি ভীষণ দুশ্চিন্তায় রয়েছি। গত ২০ দিন ধরে আমি ঘুমাতে পারিনি। কাজের প্রবল চাপ। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখন আমি এই পৃথিবী থেকে অনেক দূরে চলে যাচ্ছি।”
সর্বেশের মৃত্যুর ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিএলও-দের কাজে প্রবল চাপ দেওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদে সরব হয়েছেন তাঁর সহকর্মীরা। এই নিয়ে শুধু উত্তরপ্রদেশে এসআইআরের কাজের চাপে ৭ জন বিএলও-র মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে আত্মঘাতী হয়েছেন ৩ জন।
সর্বশেষ খবর
-
শাহের হাতেই শ্যামাপ্রসাদের ১২৫ ফুট মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন! বৈঠকে শুভেন্দু-সহ কেন্দ্রীয় নেতারা
-
ছেঁড়া জুতো পরে ‘ইক্কা’র ট্রেলার লঞ্চে, কোটি কোটি টাকার মালিক সানির এ কী দুর্দশা!
-
বিরাম নেই বৃষ্টির! কলকাতায় জারি হলুদ সতর্কতা, আর কী পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের?
-
‘হাত কেটে নেব’, সিন্ধুর জল বন্ধে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি পাকিস্তানের
-
আমলাদের গাড়ির পতাকাও এবার ‘ব’ মুক্ত, নকশায় ফিরল অশোক চক্র