Mahakumbh

জল-আকাশ-ভূমি সর্বত্র নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, মহাকুম্ভের মহাযজ্ঞ খতিয়ে দেখলেন পুলিশ প্রধান

'পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার', বার্তা পুলিশ প্রধানের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৫, ১৩:২৫

options
link
জল-আকাশ-ভূমি সর্বত্র নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, মহাকুম্ভের মহাযজ্ঞ খতিয়ে দেখলেন পুলিশ প্রধান
উত্তরপ্রদেশের ডিজিপি প্রশান্ত কুমার।

হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: যে কোনও রকম অবাঞ্ছিত ঘটনা রুখে দিতে জল-আকাশ-ভূমি সর্বত্র নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হল মহাকুম্ভকে। বিরাট এই উৎসবের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে শনিবার প্রয়াগরাজে উপস্থিত হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের ডিজিপি প্রশান্ত কুমার। বৈঠক করলেন মহাকুম্ভের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে। জানালেন, ”এখানে আসা পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সেদিকে নজর রেখে সমস্তরকম প্রস্তুতি সেরে ফেলা হয়েছে।”

Advertisement

শনিবার মেলা প্রাঙ্গণে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রশান্ত কুমার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশমতো সবরকম নিরাপত্তার কাজ সেরে ফেলা হয়েছে। মহাকুম্ভে স্নানপর্বের সময় জল, স্থল ও আকাশ এই তিন জায়গা থেকে পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। ডিজিপি বলেন, এ এক বিরাট আয়োজন। গোটা পৃথিবী থেকে এবার বিরাট সংখ্যায় মানুষের সমাবেশ হতে চলেছে এখানে। আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ কোটি মানুষ গত ৪৫ দিনে এখানে উপস্থিত হবেন। বিরাট সংখ্যায় বিদেশি পর্যটকরাও আসবেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেদিকে নজর রেখে নিরাপত্তার যাতে কোনও খামতি না থাকে তাই বিগত কয়েক মাস ধরে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুতি চালানো হচ্ছে। পরিকাঠামো, সমস্ত রকম প্রয়োজনীয় জিনিস এবং কর্মী নিয়োগ সবই আমাদের অনুকুলে। প্রস্তুতিও যথেষ্ট ভালো। আমরা আরও উন্নতি করার চেষ্টা করছি। এবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ও যান চলাচলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Advertisement

ডিজিপি বলেন, কোনো ধরনের অসুবিধা যাতে না হয় তার জন্য সব ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। এখানে ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা ও অবাঞ্ছিত ড্রোন ধ্বংস করার বিশেষ ব্যবস্থাও রয়েছে। কুম্ভের তুলনায় এবার আমাদের জলপথের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি বলেন, মেলায় স্নানের জন্য ঘাটের সংখ্যা ও তার ধারণক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। যাতে ভক্তরা যে পথ থেকেই আসুন না কেন তারা যেন একই স্থানে স্নান করে নির্ধারিত পথে ফিরে আসেন। ভারতীয় রেলের সঙ্গেও সবরকম সমন্বয় রেখে কাজ করছি আমরা। তিনি বলেন, সাইবার সংক্রান্ত বিষয়েও আমরা সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছি। কিভাবে এই সাইবার ব্যবস্থা নিরাপদ করা যায় তাও নিশ্চিত করা হয়েছে বিভিন্ন দক্ষ সংস্থার মাধ্যমে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন