উত্তরপ্রদেশের শিল্প মানচিত্রে এবার জাপানি প্রযুক্তির প্রবেশ। যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে বিনিয়োগের জোয়ার আনতে এবার জাপানের ইয়ামানাসি প্রদেশের সঙ্গে হাত মেলালেন মুখ্যমন্ত্রী। দুই প্রদেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হল।
আরও পড়ুন:
ইয়ামানাসির গভর্নর কোতারো নাগাসাকি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকে এক ঐতিহাসিক প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। আগামী আগস্ট মাসে ইয়ামানাসির গভর্নর নিজে উত্তরপ্রদেশ সফরে আসবেন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন জাপানের ২০০ জন শীর্ষস্থানীয় সিইও। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই প্রস্তাব সানন্দে গ্রহণ করেছেন।
শুধু বিনিয়োগ নয়, শিল্প, পর্যটন এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার ক্ষেত্রেও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়াতে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে। এই লক্ষ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তিতে গ্রিন হাইড্রোজেন এবং ক্লিন এনার্জি উদ্ভাবনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তি আদান-প্রদানও এই চুক্তির মূল ভিত্তি।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গ্রিন হাইড্রোজেন ক্ষেত্রে আইআইটি কানপুরকে সেন্টার অফ এক্সেলেন্স হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে ভারতের জ্বালানি স্বনির্ভরতার স্বপ্ন পূরণ হবে। প্রধানমন্ত্রীর ভিশনও এতে গতি পাবে। ২০০ জন জাপানি সিইও-র সফর রাজ্যে বড় বিনিয়োগের বার্তা আনবে বলে আশাবাদী যোগী সরকার।
উত্তরপ্রদেশের শিল্পবান্ধব পরিবেশের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য এখন স্কেল, স্কিল এবং স্পিডের মডেলে চলছে। ‘ইনভেস্ট ইউপি’-র অধীনে জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ‘জাপান ডেস্ক’ খোলা হয়েছে। এছাড়াও, যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি এলাকায় জাপানি শিল্পাঞ্চল গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই গাঁটছড়াকে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসের প্রতীক বলে বর্ণনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইয়ামানাসির সঙ্গে এই নতুন সম্পর্ক রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা নেবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মৃত্যু জল্পনার মাঝেই মোজতবার প্রথম ভিডিও প্রকাশ ইরানের! কোথায় আছেন সুপ্রিম লিডার?
-
উপকূলবর্তী জেলায় ভারী বৃষ্টি, ভাসবে কলকাতাও! কবে পিছু ছাড়বে বর্ষণ?
-
আসছেন না যাত্রীরা! বেনজিরভাবে সময়ের অনেক আগেই কার্যত শেষ অমরনাথ যাত্রা
-
বিশ্ব জুনিয়র অ্যাথলেটিক্সে রুপো বসন্তের, হাই জাম্পে ভারতের নতুন ইতিহাস
-
২ কয়লা মাফিয়াকে নিয়ে তল্লাশি এসটিএফের, বিরাট অস্ত্রভাণ্ডারের খোঁজ ইসিএলের পরিত্যক্ত আবাসনে!