সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বারাণসী। মন্দিরের শহর। এই শহর দীর্ঘদিন হিন্দু-মুসলিমের সহাবস্থান দেখেছে। একে অপরের ধর্মের প্রতি সম্মান দেখেছে। তবে এবার বিষয়টা খানিক অন্যরকম। এই প্রথমবার বারাণসীতে নবরাত্রির দিনগুলোয় মাছ-মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হল। ঘটনাচক্রে আবার নবরাত্রির প্রথম দিন অর্থাৎ সোমবার ইদ পড়ার সম্ভাবনা। সেক্ষেত্রে বারাণসীর মুসলিমদের এবার ইদ কাটাতে হতে পারে আমিষ খাবার ছাড়াই।
শনিবার বারাণসী পুরনিগমের মেয়র অশোক কুমার তিওয়ারি ঘোষণা করেছেন, রবিবার থেকেই শহরের সব মাছ-মাংসের দোকান বন্ধ রাখা হবে। নবরাত্রি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চালু থাকবে। সংখ্যালঘু এলাকাগুলিতেও এই নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অশোক কুমার তিওয়ারি বলছেন, “বারাণসী দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী। প্রতিদিন ২ লক্ষ পুণ্যার্থী এ শহরে আসেন। তাঁদের আস্থার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।”
সমস্যা হল, এ বছর আবার নবরাত্রির মধ্যেই ইদ পড়তে পারে। খুব সম্ভবত সোমবার। ওইদিন মাংসের দোকান বন্ধ থাকলে মুসলিমরা সমস্যায় পড়বেন। ফলে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও বারাণসীর মেয়র বলছে, “আমাদের সবার এটাকে ঐতিহ্যকে সম্মান জানানো হিসাবে দেখা উচিত। চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে ভাবা উচিত নয়।”
বারাণসীর মেয়র একপ্রকার কড়া ভাষাতেই সংখ্যালঘুদের বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলছেন, “মুসলিমদের বোঝা উচিত যে হিন্দু ভাইদের জন্য নবরাত্রি সবচেয়ে পবিত্র উৎসব। সুতরাং মাত্র ৯টা দিন ওদের মেনে নেওয়া উচিত। বছরের বাকি ৩৬০ দিন তো কেউ তাঁদের আমিষ খাওয়া আটকাচ্ছে না।”
সর্বশেষ খবর
-
‘আমার শান্তি-আরাম সব নষ্ট করে দিয়েছে’, বিশ্বকাপের খ্যাতি থেকে এখন মুক্তি চাইছেন ভোজিনহা
-
সীমান্তে সংঘাতের মাত্রা কমতেই কাছাকাছি ভারত-চিন, জয়শংকরের মন্তব্যে দুশ্চিন্তা বাড়বে আমেরিকার!
-
মুখ্যমন্ত্রীর দাবিতেই সিলমোহর হাই কোর্টের! কোলাঘাটের ভাড়াবাড়িতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হানা দেয় মমতার পুলিশ
-
জীতু গোপনাঙ্গ স্পর্শ করতেই কেন চিৎকার-ভাঙচুর? লাফটারসেন বললেন, ‘ছেলেবেলায় বারবার যৌন হেনস্তা শিকার হয়েছি’
-
জাতীয় সুরক্ষা আইনে গ্রেপ্তারি খারিজ, সম্ভল হিংসায় সুপ্রিম কোর্টে জরিমানা উত্তরপ্রদেশের