Telangana

মর্মান্তিক! স্কুলের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে মৃত্যু দশম শ্রেণির ছাত্রীর

স্কুল কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫, ১৫:২৮

options
link
মর্মান্তিক! স্কুলের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে মৃত্যু দশম শ্রেণির ছাত্রীর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিল ছাত্রী। স্কুলের সামনে যেতেই বিপত্তি! চলতে চলতে হঠাৎ মুখ থুবড়ে পড়ে যায় দশম শ্রেণির পড়ুয়া। হাসপাতালে নিয়ে গেলে জানা যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তার। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার কামারেডি জেলায়।

Advertisement

পুলিশ ও স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম শ্রী নিধি। বয়স ১৬ বছর। সে রামারেডির সিঙ্গারায়াপল্লি গ্রামের বাসিন্দা। পড়াশোনার জন্য কামারেডি জেলায় থাকত। একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়াশোনা করত।

Advertisement

প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে। তবে স্কুলের সামনে পড়ে যায়। পড়ুয়াকে প্রথমে দেখেন স্কুলের এক শিক্ষিকা। স্কুল কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ছাত্রীকে সিপিআর দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসায় সাড়া না দেওয়ার তাকে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে ছাত্রীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান চিকিৎসকরা। পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় শোকের সঙ্গে আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্কুলজুড়ে। শোকাহত শিক্ষক থেকে ছাত্রীর সহপাঠীরা।

Advertisement

উল্লেখ্য, মাসখানেক আগে উত্তরপ্রদেশের আলিগরের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের আচমকা মৃত্যু হয়। সেও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। বাচ্চাদের বারবার হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় চিন্তার ভাজ পরিবার থেকে চিকিৎসকদের কপালে।

আলিপুর মুসলিম বিশ্ববিদ্যায়ের অধ্যাপক এম রব্বানি জানান, বিগত ২ বছরে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যুর সংখ্যা ২২ শতাংশ বেড়েছে। তাঁর কথায়, “যদি সুস্থ মানুষ যদি ১ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয়, তাহলে তাকে বলা হয় হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। যদি কোনও বাচ্চা শ্বাস নেওয়া ও বুকে ব্যাথার কথা জানায় তাকে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.