এনআরসিতে নাম নেই, অসমে প্রবাসী পড়ুয়াদের সার্টিফিকেট মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

ছ’হাজার ‘ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট’ পাঠিয়েছে পর্ষদ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০১৮, ১৩:২৮

options
link
এনআরসিতে নাম নেই, অসমে প্রবাসী পড়ুয়াদের সার্টিফিকেট মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

দীপংকর মণ্ডল: অসমের জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি)-র খসড়া তালিকায় নাম নেই। দরকার জন্মের শংসাপত্র যদি পাওয়া যায়, তাহলে সরকারি বোর্ডের সার্টিফিকেট মান্যতা পাবে। ম্যাট্রিক পরীক্ষার সার্টিফিকেট চেয়ে হাজার হাজার আবেদন আসছে এ রাজ্যে। ১৯৭৩ সালের আগে যাঁরা পশ্চিমবঙ্গের মাধ্যমিক বোর্ড থেকে দশম শ্রেণির পরীক্ষায় পাস করেছেন তাঁরাই চিঠি লিখছেন। স্কুলশিক্ষা দপ্তরের মাধ্যমে আবেদনগুলি যাচ্ছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে। পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “ত্রিপুরায় ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত বোর্ড ছিল না। আমাদের বোর্ডের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষা দিতেন। অনেকেই পরে ত্রিপুরা থেকে অসমে চলে যান। এখন তাঁরা সার্টিফিকেট চেয়ে আবেদন করছেন।” ইতিমধ্যে ছ’হাজার ‘ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট’ পাঠিয়েছে পর্ষদ। তিন হাজার আবেদনের স্ক্রুটিনি চলছে।     

Advertisement

[শহরে মাদক পাচারের নেপথ্যে ‘ডার্ক ওয়েব’, তদন্তে লালবাজার]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে আশ্রিতদের এনআরসি-তে নাম তোলার দাবি উঠেছে। এনআরসি কর্তৃপক্ষের দাবি, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে যাঁরা অসমে ছিলেন, তাঁদের নাম খসড়া তালিকায় আছে। কিন্তু কয়েকমাস আগে প্রকাশিত তালিকা থেকে ৪০ লক্ষেরও বেশি মানুষের নাম বাদ পড়েছে। যা নিয়ে উত্তপ্ত গোটা দেশ। সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দাখিল করেছে অসম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ তারিখকে ধরে এনআরসি সংশোধন কার্যত বাংলাদেশি শনাক্ত করার প্রক্রিয়া বলে অভিযোগ উঠেছে। ভরসা এখন কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। কেন্দ্রের উপরও পুরোপুরি ভরসা রাখতে পারছেন না অসমের বাসিন্দারা। আতঙ্কিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে এ রাজ্যের সরকার।

Advertisement

বিশিষ্টদের বক্তব্য, অসমে যে প্রক্রিয়ায় এনআরসি সংশোধন চলছে, তাতে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে এ দেশে আসা অনেক নাগরিকের নাম বাদ পড়বে। এনআরসি-তে নাম তোলার জন্য শর্ত, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে আবেদনকারী নিজে বা তাঁর পূর্বপুরুষদের অসমে বসবাসের প্রমাণ দিতে হবে। এই শর্তে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকাররা তো  বটেই, ভিন রাজ্য থেকে এসে অসমে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারীরাও এনআরসি তালিকায় নাম তুলতে পারছেন না বলে অভিযোগ। ‘বিদেশি’ চিহ্নিত হওয়ার আগে প্রমাণ জোগাড়ের হিড়িক পড়ে গিয়েছে। বিভিন্ন রাজ্য থেকে যাঁরা ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে অসমে গিয়েছেন, তাঁরা হন্যে হয়ে ঘুরছেন। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “আমরা ১৯৬০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সমস্ত নথি ডিজিটাইজড করেছি। দশম উত্তীর্ণ কোনও মানুষ বঞ্চিত হবেন না।”

[ গতিতে ঝড় তুলে ছুটল চালকহীন মেট্রো, সফল পরীক্ষা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.