তৃণমূল তুমি কার? এতদিন এই লড়াইটা ছিল মূলত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে জনা ২০ সাংসদ দল ছাড়লেও তাঁরা কোনওকালেই তৃণমূলের প্রতীক এবং দলের মালিকানা দাবি করেননি। ফলে ঋতব্রতর ‘আসল তৃণমূল’ এবং মমতার ‘কালীঘাট তৃণমূলে’র মধ্যেই মূল লড়াই। এবার সেই লড়াইয়ে তৃতীয় পক্ষের আগমন। সেই তৃতীয় পক্ষ হল মেঘালয় তৃণমূল। তাঁরা বলছে, “আসল-নকল বুঝি না। আমরাই আসল তৃণমূল।”
আরও পড়ুন:
আসলে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর এ রাজ্যে তৃণমূলে ভাঙন ধরলেও মেঘালয়ে দল এখনও প্রধান বিরোধীর তকমা হারায়নি। সে রাজ্যে তৃণমূলের নিজেদের পাঁচজন বিধায়ক রয়েছেন। কংগ্রেসের একজন বিধায়ক আবার তাঁদের সমর্থন করেছেন। সব মিলিয়ে সে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা এবং রাজ্য সভাপতি চার্লস পিংরোপ। সমস্যা হল, খাতায়কলমে জনা ছ’য়েক বিধায়ক থাকলেও পাহাড়ি রাজ্যে তৃণমূলের জন সমর্থন তলানিতে। দলের হাল এতটাই সঙ্গিন যে সে রাজ্যের আসল লোকসভা উপনির্বাচনে প্রার্থীও দিতে পারেনি তৃণমূল।
কিন্তু এসবের মধ্যেই চার্লস পিংরোপের হুঙ্কার, আসল তৃণমূল তাঁরাই। পিংরোপ বলছেন, “আমাদের এখানে কোনও নকল তৃণমূলের জায়গা নেই। আমরাই আসল তৃণমূল। এখানে নকলের কোনও প্রশ্নই নেই।” তাহলে তাঁর সমর্থন কোন দিকে? স্পষ্ট করেননি পিংরোপ। কিন্তু দলের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী হিসাবে তাঁর ঘোষণা যে, আসল তৃণমূল তাঁরাই। সেটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও পিংরোপের ওই দাবির মধ্যে বিশেষ জোর নেই। মেঘালয়ে দল যে জনসমর্থনের সংকটে, সেটা মেনে নিয়েছেন তিনি।
চার্লস পিংরোপ বলছেন, “আগামী দিনে আমরা রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। কোন দিকে এগোব।” লোকসভা উপনির্বাচনে লড়াই না করার কারণ হিসাবে পিংরোপের বক্তব্য, “আমাদের কাছে উপযুক্ত মুখ নেই প্রার্থী হওয়ার মতো।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের