একটানা বৃষ্টিতে ভাসছে গুরুগ্রাম। অধিকাংশ রাস্তা যেন পুকুর! জলযন্ত্রণায় অফিস-স্কুলে যাওয়া মাথায় উঠেছে সাধারণ মানুষের। তুলনায় কম জল জমা রাস্তায় বিরাট ট্র্যাফিক জ্যাম। এমনকী বহু এলাকায় বাড়িতেও জল ঢুকেছে। সব মিলিয়ে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। এমন পরিস্থিতিতে একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে অবাক করা মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ ধরমবীর সিং। তিনি বললেন, ২০৪৭-এর মধ্যে সব সমস্যার সমাধান হযে যাবে। প্রশ্ন উঠছে, বন্যা তো হয়েছে ২০২৬ সালে! তাহলে কি আগামী ২১ বছর ধরে জলযন্ত্রণা চলবে?
‘মিলেনিয়াম সিটি’-র ভেঙে পড়া পরিকাঠামোর জন্য ধরমবীর সরকার ছাড়া আর সব কিছুকে দায়ী করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যানজট ও জলমগ্নতা রোধে কর্তৃপক্ষ “কঠোর পরিশ্রম করছে, তবে সব কিছু তো আর করা সম্ভব নয়।” ভিওয়ানি-মহেন্দ্রগড়ের বিজেপি সাংসদের মতে সমস্যার মূলে ৬০ বছর আগের ভুল পরিকল্পনা। সেই সময়ের পরিকল্পকরা আন্দাজ করতে পারেননি যে শহরটি এত দ্রুতগতিতে বেড়ে উঠবে। তিনি বলেন, “আমরা জানতাম না যে গুরুগ্রামে এত বিপুল সংখ্যক মানুষ থাকবেন, বাড়িঘর হবে এবং যানবাহন চলবে।” তিনি স্বীকার করেন, গত কয়েক বছরের বেপরোয়া নির্মাণের কারণে পুরনো নর্দমাগুলো সংকুচিত হয়ে গিয়েছে। ” এখন সেগুলিকে চওড়া করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বিপর্যয় ঘটেছে।”
এই অবধি বিজেপি সাংসদের বক্তব্য ঠিকই ছিল। কিন্তু সমস্যা সমাধানের প্রশ্ন চমকে দেওয়া মন্তব্য করেন ভিওয়ানি-মহেন্দ্রগড়ের গেরুয়া সাংসদ ধরমবীর সিং। তিনি দাবি করেন, “সাম্প্রতিক বিপর্যয়ে সরকারের কোনও ভুল নেই।” এখানেই না থেমে আশ্বাস দেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে সবকিছু ঠিক করে দেব।” প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আগামী ২১ বছর ধরে দুর্যোগের যন্ত্রণা ভোগ করবেন স্থানীয়রা। কারণ প্রকৃতি তো ২০৪৭ সালের জন্য অপেক্ষা করবে না। আজকের দুর্যোগ কোনও মতে কাটিয়ে ওঠা গেলেও আগামী মরশুমেও বর্ষা হবে। স্বভাবতই বিজেপি সাংসদের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় উঠেছ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
প্রেমে পড়েছে রামলাল? বছর ৫২-এর ‘যুবক’কে নিয়ে জোর চর্চা জঙ্গলমহলে
-
পড়তে না বসায় বকাবকি মায়ের, সটান পুলিশের কন্ট্রোলরুমে ফোন কিশোরীর, তারপর…
-
বন্দিদশার ৩ বছর পর সুস্থ হচ্ছেন ইমরান! ২১ অধিনায়কের চিঠির পর জানালেন প্রাক্তন সতীর্থ
-
একফালি বারান্দায় বাগান করতে চান? বীজ কেনার আগে মনে রাখুন এই ৬ পরামর্শ
-
চাহিদা তুঙ্গে গোবরের রাখির, ভাইয়ের মঙ্গল কামনায় থাক বৈদিক ছোঁয়া