LoC

আফগানিস্তানে ফেলে যাওয়া মার্কিন হাতিয়ার মিলল কাশ্মীর সীমান্তে! সতর্ক সেনা

এই মুহূর্তে কাশ্মীরে সক্রিয় জঙ্গিদের অর্ধেকই পাকিস্তানি, দাবি সেনার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২, ১৭:৩০

options
link
আফগানিস্তানে ফেলে যাওয়া মার্কিন হাতিয়ার মিলল কাশ্মীর সীমান্তে! সতর্ক সেনা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আশঙ্কাই সত্যি হল। আফগানিস্তানে (Afghanistan) ব্যবহৃত মার্কিন (US) সামরিক সরঞ্জামের দেখা মিলল ভারত-পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণরেখার জঙ্গি ঘাঁটিতে। স্বাভাবিক ভাবেই এমন ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে ভারতীয় সেনা। এক সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলার সময় মেজর জেনারেল অজয় চান্দপুরিয়া একথা জানিয়েছেন।

Advertisement

তাঁর কথায়, ”নিয়ন্ত্রণরেখায় নিকেশ হওয়া জঙ্গিদের কাছ থেকে যে অস্ত্র ও ডিভাইস পাওয়া গিয়েছে সেগুলি সচরাচর পাওয়া যায় না। মার্কিন সেনা ছেড়ে চলে যাওয়ার পরে এগুলি আফগানিস্তানে ছিল। আমাদের মনে হচ্ছে, কেবল জঙ্গিদের কাছেই নয়, এই অস্ত্রগুলি কাশ্মীরেও ঢুকেছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বদলে যাবে দেশের কৃষিব্যবস্থা, ১০০ কিষাণ ড্রোনের উদ্বোধনে নয়া ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর]

কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সেনা আধিকারিক জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে কাশ্মীরে ১৫০ থেকে ২০০ জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। তাদের মধ্য়ে ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশই পাকিস্তানি (Pakistan)। তবে স্থানীয়দের জঙ্গি দলের অন্তর্গত করার পরিমাণ কমেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আগের থেকে তা এক-তৃতীয়াংশ হয়ে গিয়েছে বলেই জানাচ্ছেন মেজর চান্দপুরিয়া।

আগামিদিনেও যে পাকিস্তানের থেকে সতর্ক থাকতে হবে, সেকথা জানিয়েছেন তিনি। যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেও যে নিয়মিত অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছে জঙ্গিরা, সেই আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: হিজাবের মতো এবার কপালে তিলক কেটেও ঢুকতে মানা কর্ণাটকের কলেজে, তুঙ্গে বিতর্ক]

এদিকে শনিবার মাঝরাত থেকে রবিবার দুপুর পর্যন্ত টানা গুলির লড়াইয়ে সোপিয়ানে শেষমেশ নিকেশ হয়েছে এক সন্ত্রাসবাদী। তবে গুলিযুদ্ধে শহিদ হয়েছেন ২ সেনা জওয়ান। কাশ্মীর পুলিশের তরফে টুইট করে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে AK রাইফেল, পিস্তল-সহ প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র। নিহত জঙ্গি (Terrorists) লস্করের সদস্য বলে জানা গিয়েছে। এলাকা এখনও ঘিরে রয়েছেন সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। এই ঘটনায় মেজর চান্দপুরিয়ার বক্তব্যের পক্ষেই জোরাল প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন