Agnipath scheme

কেন্দ্রের এই অগ্নিপথ প্রকল্প কী? কেন দেশজুড়ে বিক্ষোভ? জানুন বিস্তারিত

সত্যিই কি অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২২, ১৯:৪৭

options
link
কেন্দ্রের এই অগ্নিপথ প্রকল্প কী? কেন দেশজুড়ে বিক্ষোভ? জানুন বিস্তারিত
ছবি: ফাইল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেনাবাহিনীর (Indian Army) লোকবল অক্ষুন্ন রেখে আধুনিকীকরণের স্বার্থে কেন্দ্রের নতুন প্রকল্প অগ্নিপথ। এর মাধ্যমে সেনায় অস্থায়ীভাবে ৪ বছরের জন্য কর্মী নিয়োগ হবে। যাদের পোশাকি নাম ‘অগ্নিবীর’। কিন্তু কেন্দ্রের ঘোষিত এই অগ্নিপথ (Agnipath Scheme) প্রকল্প দেশজুড়ে সেনায় চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হচ্ছে। এভাবে অস্থায়ী পদে নিয়োগ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা অসন্তুষ্ট। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ।

Advertisement

Agnipath Scheme

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেন অগ্নিপথ?

Advertisement
  • এভাবে সেনায় নিয়োগ হলে বেতন এবং পেনশন বাবদ কেন্দ্রের বহু অর্থ সাশ্রয় হবে। সেই টাকা সেনার প্রযুক্তির উন্নতির কাজে লাগানোর ভাবনা রয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের। কেনা হবে আরও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র।
  • যুব সমাজকে দেশসেবা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ দিতে চাইছে সরকার।
  • বর্তমানে ভারতীয় সেনা বাহিনীর জওয়নাদের গড় বয়স ৩২ বছর। অগ্নিবীরদের নিয়োগের ফলে ১০ বছরের মধ্যে সেটা নেমে আসবে ২৬ বছরে। এক্ষেত্রে বাহিনী তরতাজা এবং শারীরিক সামর্থ্যে ভরপুর হবে বলে দাবি কেন্দ্রের।

কাদের নিয়োগ করা হবে?

  • দেশ সেবায় আগ্রহী তরুণ-তরুণীরা অগ্নিবীর হিসাবে কাজ করতে পারবেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে সেনার যে বিভাগে আগে যা শারীরিক সক্ষমতার শর্ত ছিল সেটাই মানা হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক বা সমতুল। 

[আরও পড়ুন: ‘অগ্নিপথ’ বিক্ষোভের আঁচ এবার বাংলাতেও, সাতসকালে একাধিক স্টেশনে বিক্ষোভ, ব্যাহত ট্রেন পরিষেবা]

বয়সসীমা:

  • নিয়োগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ১৭.৫ বছর। সর্বোচ্চ বয়স ২১ বছর। শুধু এ বছরের জন্য বয়সের সর্বোচ্চ সীমা শিথিল করে ২৩ বছর করা হচ্ছে।

কী কী সুবিধা?

  • বার্ষিক বেতন ৪.৭৬ লক্ষ টাকা থেকে ৬.৯২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আয়ের ৩০ শতাংশ ‘সেবা নিধি’তে জমানো যাবে। সমপরিমাণ টাকা দেবে সরকারও।
  • বেতনের পাশাপাশি মিলবে রেশন, উর্দি এবং যাতায়াতের ভাতা।
  • চার বছরের মেয়াদ শেষে কাজের ভিত্তিতে ২৫ শতাংশকে দেওয়া হবে সেনার স্থায়ী কমিশন।
  • বাকি ৭৫ শতাংশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তাদের এককালীন ১১.৭ লক্ষ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। আর কোনও অবসরকালীন সুবিধা পাওয়া যাবে না।
  • স্থায়ী কমিশন না পেলেও এই ৭৫ শতাংশ আধা সামরিক বাহিনী-সহ সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার পাবেন। অন্যান্য সাধারণ চাকরিতেও মিলবে অগ্রাধিকার। পরে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ফের তলব করা হতে পারে তাঁদের।
  • ৪ বছর মেয়াদ শেষে এই ৭৫ শতাংশ পাবেন অগ্নিবীর সংশাপত্র। কেউ ব্যবসা করতে চাইলে সরকার তাদের ন্যূনতম সুদের হারে ঋণও দেবে।
  • সেনাতে কাজ করার সময় মৃত্যু হলে বিমা বাবদ ৪৮ লক্ষ টাকা এবং অতিরিক্ত ৪৪ লক্ষ টাকা অনুদান পাবে পরিবার। সেই সঙ্গে মিলবে চাকরি জীবনের বাকি মেয়াদের বেতনও।
  • অগ্নিবীর হিসাবে কাজ করার সময় অঙ্গহানি হলে ১৫ থেকে ৪৪ লক্ষ টাকা অনুদান এবং সেই সঙ্গে মিলবে চাকরি জীবনের বাকি মেয়াদের বেতন।

[আরও পড়ুন: বেড়েই চলেছে করোনা! ফের দেশের দৈনিক সংক্রমণ পৌঁছে গেল ১৩ হাজারের কাছাকাছি]

কেন বিক্ষোভ?

  • অগ্নিপথ (Agnipath Scheme) চালু হওয়ার পর সেনার নিম্নপদে স্থায়ী নিয়োগ আপাতত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
  • অগ্নিবীর (Agniveer) হিসাবে নিযুক্ত হলেও চার বছর পর তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত সেনায় চাকরিপ্রার্থীরা।
  • স্থায়ী কমিশন না পেলে কোনও রকম অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা না পাওয়াটা বিক্ষোভের অন্যতম কারণ।
  • বয়সের ঊর্ধ্বসীমার জন্য বছরের পর বছর সেনার চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া যুবক-যুবতীরা চাকরির সুযোগই পাচ্ছেন না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন