Supreme Court On CJP Protest

‘ককরোচ’ বিক্ষোভে লাঠিচার্জে ‘সুপ্রিম’ হস্তক্ষেপের আর্জি, ‘সময় নষ্ট করবেন না’, বলল শীর্ষ আদালত

মঙ্গলবার দিল্লি হাই কোর্টেও এই সংক্রান্ত এই আবেদনের জরুরি ভিত্তিতে শুনানির অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু উচ্চ আদালত তা খারিজ করে দেয়। দিল্লি হাই কোর্ট জানিয়ে দেয়, আদালতকে এর মধ্যে জড়াবেন না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২৬, ১৫:০৫

options
link
‘ককরোচ’ বিক্ষোভে লাঠিচার্জে ‘সুপ্রিম’ হস্তক্ষেপের আর্জি, ‘সময় নষ্ট করবেন না’, বলল শীর্ষ আদালত
‘ককরোচ’ বিক্ষোভের জল গড়াল সুপ্রিম কোর্টে।

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিক্ষোভে (CJP Protest) পুলিশের লাঠিচার্জ। ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) হস্তক্ষেপ চেয়ে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন এই আইনজীবী। কিন্তু তা খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিল, অযথা যেন তাদের সময় নষ্ট না করা হয়।

Advertisement

মামলাকারীর তাঁর আবেদনে জানিয়েছিলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলাকালীন দিল্লি পুলিশ ছাত্র-যুবদের উপরে লাঠিচার্জ করেছে। তাঁদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে। আদালতের রায় অমান্য করেছে। এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট যেন স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করে। দিল্লি পুলিশের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, গোটা ঘটনার তদন্তে একটি কমিটিও গঠন করার আহ্বান জানিয়েছিলেন ওই আইনজীবী। কিন্তু তার আবেদন খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। মামলাকারী পুলিশের লাঠিচার্জের কিছু ভিডিওর কথাও আদালতে উল্লেখ করেন। তখন প্রধান বিচারপতির সূর্য কান্ত বলেন, “আমরা কোনও ভিডিও দেখতে আগ্রহী নয়। সেগুলি দেখার মতো সময় আমাদের নেই। দয়া করে আমাদের এবং নিজেরও সময়ও নষ্ট করবেন না।”

Advertisement

আবেদনে আরও বলা হয়েছিল, পুলিশের এহেন কার্যকলাপ ভিন্নমত পোষণ ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের উপর ভীতিকর প্রভাব ফেলেছে। এই মামলার উদ্দেশ্য সোনম ওয়াংচুক বা কোনও আন্দোলনকারীর ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষা করা নয়, বরং প্রত্যেক নাগরিকের প্রাপ্য সাংবিধানিক স্বাধীনতাগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

Advertisement

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিল্লি হাই কোর্টেও এই সংক্রান্ত এই আবেদনের জরুরি ভিত্তিতে শুনানির অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু উচ্চ আদালত তা খারিজ করে দেয়। দিল্লি হাই কোর্ট জানিয়ে দেয়, আদালতকে এর মধ্যে জড়াবেন না।

প্রসঙ্গত, দিল্লি পুলিশের তরফে অনুমতি না দেওয়া হলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার সকালে সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে ‘আরশোলা’দের এই অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় রাজধানী। ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.