হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: যোগী সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অসীম অরুণ সম্প্রতি সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, অখিলেশ যাদব মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ইচ্ছাকৃতভাবে বহু জেলা, মেডিকেল কলেজ এবং প্রতিষ্ঠান থেকে কাঁসি রামের নাম মুছে ফেলেছিলেন।
বিএসপি প্রতিষ্ঠাতা কাঁসি রামের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর পরেই এই আক্রমণ করেন অসীম অরুণ। তিনি এই ঘটনার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ দাখিল করেন। লখনউয়ের ভাষা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাহারানপুরের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালসহ একাধিক জায়গা থেকে কাঁসি রামের নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
মন্ত্রী অরুণ প্রশ্ন তোলেন, অতীতে এই নাম মুছে ফেলার জন্য মানুষ প্রতিবাদ জানালে, অখিলেশ যাদব সাধারণ মানুষের আবেগকে পাত্তা দেননি। অথচ এতদিন অসম্মান করার পর এখন ক্ষমতা হারিয়ে কেন তিনি বাবা সাহেব আম্বেদকর কিংবা কাঁসি রামের জয়ধ্বনি দিচ্ছেন? এই দ্বিচারিতা মানুষ ঠিকই বুঝবেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথই আসলে কাঁসি রামের দেখানো সামাজিক ন্যায়বিচারের পথ অনুসরণ করে চলেছেন এখনও।
অসীম অরুণ দাবি করেন, মায়াবতী নিজেও স্মৃতিসৌধ রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচির জন্য মোদী-যোগী সরকারের প্রশংসা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, তফসিলি জাতিভুক্ত মানুষজন এখন অখিলেশ যাদবের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় তিনি ধূর্ততার আশ্রয় নিচ্ছেন। রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছেন। কিন্তু মানুষ তাঁর এই দ্বিচারিতা বুঝতে পারছেন ঠিকই।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিজেপির কর্মীরা সর্বদা সমাজের সমস্ত অংশের, বিশেষ করে দলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত। অরুণের দাবি, অখিলেশের রাজনৈতিক কৌশল এবার ব্যর্থ হবে। কারণ বিজেপি বাস্তব সমস্যা এবং সামাজিক কল্যাণের ওপরই গুরুত্ব দিয়ে এসেছে বরাবর।
সর্বশেষ খবর
-
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পোঁতা হয়েছিল চারাগাছ, নীরবে স্বাধীনতার সাক্ষ্য বহন বাগনানের বৃক্ষত্রয়ীর
-
স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে শচীন-কোহলি, ‘কর্তব্য’ মনে করালেন গম্ভীর, কী বার্তা কলকাতার দুই প্রধানের?
-
পছন্দের চেয়ার না মেলায় ‘গোঁসা’ রাহুল-খাড়গের! এবারও এলেন না লালকেল্লায়
-
কলকাতার রাজপথের ক্যানভাসে ‘প্রতিবাদ আঁকলেন’ জয়া, অগ্নিমিত্রা-ঋতুপর্ণাদের সঙ্গে রাতদখলে আহসানও
-
রানার গ্রেপ্তারির পরই কোচবিহারে জালে ৩ পাক গুপ্তচর, বাংলার বুকে শিকড় ছড়িয়ে কত দূর?