Kadimi Mosque

ভাঙা পড়বে কৃষিভবনের ১০০ বছরের মসজিদ? নয়া টেন্ডারে উদ্বিগ্ন ওয়াকফ বোর্ড

কাদিমি মসজিদটি কৃষি ভবন পরিসরেই অবস্থিত। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা নমাজ পড়ার জন্য মসজিদটি ব্যবহার করেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৮:৪১

options
link
ভাঙা পড়বে কৃষিভবনের ১০০ বছরের মসজিদ? নয়া টেন্ডারে উদ্বিগ্ন ওয়াকফ বোর্ড

ভাঙা পড়তে পারে শতবর্ষ প্রাচীন দিল্লির কৃষিভবনে অবস্থিত কাদিমি মসজিদ! কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া টেন্ডারে উদ্বিগ্ন ওয়াকফ বোর্ড। জানা যাচ্ছে, সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের আওতায় এই টেন্ডার জারি করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে ওয়াকফ বোর্ড হাই কোর্টে আবেদন জানালেও খারিজ করা হয়েছে সে আবেদন। যার জেরে মসজিদ ভাঙা পড়ার আশঙ্কা আরও বেড়েছে। যদিও কেন্দ্রের তরফে আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, মসজিদ সুরক্ষিত থাকবে।

Advertisement

এই মামলার সূত্রপাত ২০২৪ সালে। সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের কারণে মসজিদ ভাঙা পড়তে পারে এই আশঙ্কায় দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিল ওয়াকফ বোর্ড। কৃষি ভবনে অবস্থিত মসজিদ-সহ মোট ৬টি ধর্মীয় স্থানে সুরক্ষার দাবি জানানো হয়। যদিও তাঁদের সেই আবেদন খারিজ হয় আদালতে। একইসঙ্গে বলা হয়, যদি মনে হয় বোর্ডের সম্পত্তি হুমকির মুখে তাহলে ফের আদালতে আবেদন করতে পারবে বোর্ড। কেন্দ্রের তরফেও বোর্ডকে ধর্মীয় স্থানে সুরক্ষার আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি বদলেছে।

Advertisement

কাদিমি মসজিদটি কৃষি ভবন পরিসরেই অবস্থিত। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা নমাজ পড়ার জন্য মসজিদটি ব্যবহার করেন।

কৃষি ভবন এবং শাস্ত্রী ভবনের পুনর্নির্মাণের জন্য ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬ তারিখে সিপিডব্লিউডি কর্তৃক জারি করা হয় একটি টেন্ডার। সেখানে যে পরিকাঠামোগুলি ভেঙে ফেলা হবে তা স্পষ্টভাবে তালিকাভুক্ত করেনি সরকার। এদিকে টেন্ডারে প্রস্তাবিত নতুন ভবনের মানচিত্রে মসজিদটিকে তার আসল অবস্থানে দেখানো হয়নি। তাতেই উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে আশঙ্কা করা হচ্ছে, হয়ত সরকার ভেঙে ফেলতে চলেছে মসজিদটি। গোটা ঘটনায় উদ্বিগ্ন ওয়াকফ বোর্ড। মনে করা হচ্ছে ফের আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে তারা।

Advertisement

উল্লেখ্য, কাদিমি মসজিদটি কৃষি ভবন পরিসরেই অবস্থিত। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা নমাজ পড়ার জন্য মসজিদটি ব্যবহার করেন। তবে ১০০ বছরের পুরনো হলেও ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ (ASI) এর অধীনে একটি সুরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ নয়। ১৯৭০ সালের দিল্লি প্রশাসনিক গেজেটে প্রকাশিত ওয়াকফ সম্পত্তির তালিকায় তালিকাভুক্ত মসিজিদটি। এই ঘটনায় বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আমানতুল্লাহ খান বলেন, “সরকার আদালতকে বলেছিল যে মসজিদগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। যদি তারা এখন এটি ভেঙে ফেলতে চায়, তাহলে তা অন্যায়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.