Mahabharata

লকডাউনের জের, মহাভারত পড়ে দিন কাটালেন গুহাবন্দি ইঞ্জিনিয়ার

নর্মদা পরিক্রমা করতে গিয়ে মধ্যপ্রদেশের জঙ্গলে আটকে পড়েন মহারাষ্ট্রের ওই বাসিন্দা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২০, ১৬:৩৮

options
link
লকডাউনের জের, মহাভারত পড়ে দিন কাটালেন গুহাবন্দি ইঞ্জিনিয়ার
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশজুড়ে লকডাউন (Lock down) চলছে। এর ফলে বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়ছেন প্রচুর মানুষ। সোশ্যাল মিডিয়া আর সংবাদমাধ্যমের কারণে তাঁদের দুরবস্থার কথাও সবার নজরে এসেছে। এর মাঝেই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মধ্যপ্রদেশের একটি জঙ্গলের গুহায় বেশ কিছুদিন কাটিয়ে ফেললেন মহাভারত পড়ে। রবিবার এই ঘটনার কথা জানতে পারার পর তাঁকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের নবি মুম্বইয়ের ওই বাসিন্দা বীরেন্দ্র সিং ডোগরা পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। লকডাউন শুরু হওয়ার আগে তিনি নর্মদা নদীর উৎসস্থল মধ্যপ্রদেশের অমরকণ্টক থেকে নর্মদা পরিক্রমা শুরু করেছিলেন। যাওয়ার ইচ্ছা ছিল গুজরাটে অবস্থিত এই নদীর মোহনা পর্যন্ত। কিন্তু, ২২ মার্চ জনতা কারফিউ হওয়ার ফলে তাঁর পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। তাই ওইদিন রাইসেন জেলার কুয়ানডেবরি গ্রামে থাকা তাঁর এক আত্মীয় শশীভূষণের বাড়িতেই কাটান তিনি। পরের দিন ফের বেরিয়ে পড়েন পরিক্রমা করতে। কিন্তু, দুদিন পরে দেশব্যাপী লকডাউন শুরু হওয়ার ফলে ফের সমস্যায় পড়ে যান বীরেন্দ্র। সমস্ত যান চলাচল বন্ধ হওয়ার ফলে রাইসেন জেলার উদাইপুরা এলাকার জঙ্গলের মধ্যে থাকা একটি গুহায় আশ্রয় নেন। সেসময় তাঁর সঙ্গে শুকনো কিছু খাবার ছাড়া ছিল একটি মহাভারত ও অল্প কয়েকটি জামাকাপড়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অতিবেগুনি রশ্মিতেই কাবু করোনা, DRDO-র যন্ত্রে ভাইরাস মুক্ত হবে মোবাইল-ব্যাগ-টাকা ]

 

Advertisement

রবিবার সন্ধেয় জঙ্গলে গরু চড়াতে গিয়ে তাঁকে দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন গ্রামবাসী। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও বনদপ্তরের আধিকারিকদের খবর দেন তাঁরা। আর তারপরই ঘটনাস্থল গিয়ে বীরেন্দ্রকে উদ্ধার করেন পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসা করে জানা যায়, তিনি নবি মুম্বইয়ের বাসিন্দা এবং তাঁর এক বোন হায়দারবাদে থাকেন। এরপরই তাঁর বোনের নম্বর নিয়ে তাঁকে ফোন করে বীরেন্দ্রের আটকে থাকার বিষয়টি জানান পুলিশ আধিকারিকরা। পরে ওই সফটওয্যার ইঞ্জিনিয়ারের পরিবারের লোকেদের কাছে তাঁকে পৌঁছে দেওয়া হয়।

[আরও পড়ুন: দায়িত্বে অবিচল, লকডাউনে বাবার শেষকৃত্যে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত যোগীর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন