অযোধ্যায় রাম লালা মন্দিরে পুজো দেবেন যোগী আদিত্যনাথ

রাজনাথের পর যোগী হলেন দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী যিনি বিতর্কিত ভূখণ্ডে পা রাখবেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০১৭, ১০:২৭

options
link
অযোধ্যায় রাম লালা মন্দিরে পুজো দেবেন যোগী আদিত্যনাথ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার অযোধ্যার বিতর্কিত ভূখণ্ডে রাম লালা মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছেন উত্তরপ্রদেশের নয়া মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ২০০২ সালে শেষবার রাজনাথ সিং মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন রাম লালা মন্দিরে পুজো দিয়েছিলেন। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর রাজনাথই ছিলেন প্রথম মুখ্যমন্ত্রী যিনি রাম লালা মন্দিরে দর্শন করতে গিয়েছিলেন। রাজনাথের পর যোগী হলেন দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী যিনি বিতর্কিত ভূখণ্ডে পা রাখবেন। মাঝে ১৫ বছর কোনও মুখ্যমন্ত্রীই বিতর্কিত ভূখণ্ডে যাওয়ার সাহস দেখাননি। আগামিকাল ফৈজাবাদ-অযোধ্যা ডিভিশনের উন্নয়নের কাজ পরিদর্শন করতে যাবেন যোগী। সেইসময়ই মন্দিরে পুজো দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রামজন্মভূমি ন্যাসের সভাপতি মহন্ত নৃত্য গোপাল দাসের জন্মোৎসব পালন অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি।

Advertisement

[বাবরি ধ্বংস মামলায় জামিন পেলেন আদবানী, জোশীরা]

তাৎপর্যপূর্ণভাবে, মঙ্গলবারই বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় জামিন পেয়েছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানী, মুরলীমনোহর জোশী-সহ ৯ অভিযুক্ত। ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের জামিন দিয়েছে লখনউয়ের বিশেষ সিবিআই আদালত। তারপরই যোগীর রাম লালা মন্দিরে পুজো দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। গোরক্ষনাথ মন্দিরের মহন্ত যোগী আদিত্যনাথের উগ্র হিন্দুত্ববাদ নিয়ে এর আগেও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সব ধর্ম সমন্বয়ের কথাই বলেন যোগী। তবে বিতর্কিত ভূখণ্ডে তিনি পা রাখলেই নতুন করে গণ্ডগোল বাধতে পারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রাজনীতিবিদরা। জানা গিয়েছে, মহন্ত নৃত্য গোপাল দাসের জন্মোৎসবে অংশগ্রহণ করার আগে সন্ধেয় একটি রিভিউ বৈঠকে বসার কথা যোগীর। পাশাপাশি, দিগম্বর আখাড়ায় যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এই আখাড়ার প্রাক্তন মহন্ত রামচন্দ্র পরমহংস অযোধ্যা আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন। রাম মন্দির নির্মাণের জন্য শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন মহন্ত রামচন্দ্র। শুধু তাই নয়, যোগীর গুরু মহন্ত অবৈদ্যনাথ এবং পরমহংস বহু ধছর একসঙ্গে অযোধ্যা আন্দোলনকে সফল করার প্রয়াস চালিয়ে গিয়েছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের গঠিত রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারপার্সন ছিলেন মহন্ত অবৈদ্যনাথ। তাহলেই বোঝা যাচ্ছে, রাম লালা মন্দির নিয়ে যোগীর আগ্রহ কেন! থাকবে নাই বা কেন, ২০০২ সালে পরমহংসের আহ্বানেই গোরখপুরের সাংসদ যোগী অযোধ্যায় মিছিল করে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তখন পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করে। যদিও এই মন্দিরে পুজো দেওয়ার বিষয়ে যোগীর আমলারা মুখে কুলুপ এঁটেছেন। যোগীর এই রাম লালা মন্দির দর্শন নিঃসন্দেহে রাম মন্দির ইস্যুকে নয়া মাত্রা দেবে তা বলাই বাহুল্য।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[কুলভূষণের থেকে মিলেছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, দাবি পাক বিদেশমন্ত্রকের]

Advertisement

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.