সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষ্ণভক্ত বলে ছেড়ে দিয়েছিলেন আমিষ খাবার। সম্পূর্ণ নিরামিষাশী খাদ্যাভ্যাসেই বাজিমাত। আইপিএলে (IPL) অভিষেকেই পর পর দুই ম্যাচে সেরার শিরোপা পেয়েছেন। মেগা টুর্নামেন্টের সেরা আবিষ্কার হিসাবে উঠে এসেছেন ময়ঙ্ক যাদব (Mayank Yadav)। নতুন তারার মা জানাচ্ছেন, খাদ্যাভ্যাস বদলে ফেলেই একের পর এক সাফল্য পেয়েছেন তরুণ পেসার।
চলতি আইপিএলে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছেন ময়ঙ্ক। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ১৫৫.৮ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার গতিতে বল করে তাবড় পেসারদেরও চমকে দিয়েছিলেন। আরসিবির (RCB) বিরুদ্ধে সেই মাইলস্টোনও টপকে যান। প্রতি ঘণ্টায় ১৫৬.৭ কিমি গতিতে ছুটে এল তাঁর ডেলিভারি। যা চলতি আইপিএলের (IPL 2024) দ্রুততম ডেলিভারি। তার পর থেকেই আইপিএলের অন্যতম আলোচিত নাম- লখনউ সুপার জায়ান্টসের তরুণ পেসার ময়ঙ্ক যাদব।
[আরও পড়ুন: খারাপ সময় চলছে আরসিবির, জয়ের রাস্তায় ফিরতে কোহলিকে বিরাট পরামর্শ ডিভিলিয়ার্সের]
পরপর দুই ম্যাচে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পরে মায়ের উদ্দেশ্যে বিশেষ পোস্ট করেছিলেন তরুণ পেসার। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে গরবিনী মায়ের প্রতিক্রিয়া। জানান, টানা আগুনে গতিতে বল করার রহস্য লুকিয়ে রয়েছে ময়ঙ্কের খাদ্যাভ্যাসে। মাত্র ২ বছর ধরে নিরামিষ খাবার খাচ্ছেন ময়ঙ্ক। তার পর থেকেই দ্রুত উন্নতি করেছেন তারকা পেসার।
কেন নিরামিষ খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন ময়ঙ্ক? পেসারের মা মমতা যাদব জানান, “বছর দুয়েক আগে ময়ঙ্ক জানায় যে আমিষ খাবার ওর শরীরে সইছে না। তাই ডাল, ভাত, রুটি, দুধ, সবজি এসবই খেতে হবে। তাছাড়া ও ভগবান কৃষ্ণের বিরাট ভক্ত। দুই কারণ মিলিয়েই ময়ঙ্ক নিরামিষাশী হয়েছে। তার পর থেকেই ব্যাপক উন্নতি হয় ময়ঙ্কের ক্রিকেটে।” খুব তাড়াতাড়ি জাতীয় দলের জার্সিতেও খেলবেন লখনউয়ের তরুণ পেসার, আশা মায়ের।
[আরও পড়ুন: ঋষভের লড়াকু ইনিংসকে কুর্নিশ! ভালোবাসা ছড়িয়ে মন জিতছেন শাহরুখ]
সর্বশেষ খবর
-
পুলিশ হেফাজতে মদ্যপানের আবদার নির্লজ্জ সিয়ার! প্রকাশ্যে ‘খুনি’ প্রেমিকের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ’ ভিডিও
-
বরাদ্দ সত্ত্বেও হয়নি কাজ, তৃণমূল কাউন্সিলরকে বৃষ্টিতে বেহাল বারাসত ঘুরে দেখালেন বিজেপি কর্মীরা
-
‘লক্ষ্মী ছেলে’ থেকে অ্যাকশন হিরো, প্রকাশ্যে উজানের ‘কাতুকুতু বুড়ো’র টিজার
-
ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত! ‘শৃঙ্খলার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’, বর্ধমানের ২ নেতাকে সাসপেন্ড বিজেপির
-
‘মৃত্যুকে ভয় পাই না, এবছরই দেশে ফিরব’, ফাঁসির সাজা পেয়েও নির্ভয়ে ঘোষণা হাসিনার