SSKM

৫ দিনে ১৭৫ গলব্লাডার অপারেশন! অসাধ্য সাধন পিজির, উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যের বুকে তো বটেই, দেশের ইতিহাসেও এই ঘটনা নজিরবিহীন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৫, ১২:০৯

options
link
৫ দিনে ১৭৫ গলব্লাডার অপারেশন! অসাধ্য সাধন পিজির, উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: টানা পাঁচদিনে ১৭৫ জন রোগীর গলব্লাডার অপারেশন করে নজির গড়ল কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতাল। যার সব ক’টিই সফল হয়েছে। ১৫ জন চিকিৎসক মিলে এই অসাধ্য সাধন করেছেন। রাজ্যের বুকে তো বটেই, দেশের ইতিহাসেও এই ঘটনা নজিরবিহীন। সরকারি হাসপাতালের এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসএসকেএম হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, নার্স এবং কর্মীদের এই অনন্য সাফল্যের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনও জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement

সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো, চিকিৎসার মান নিয়েও রাজ্য নজির গড়েছে, সেই কথা উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “আমাদের নিজেদের সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতাল এসএসকেএম এক নতুন রেকর্ড গড়েছে। গত ৫ দিনে অপেক্ষমাণ ১৭৫টি গলব্লাডার অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “এটি একটি বিশেষ উদ্যোগ, যার মাধ্যমে গলব্লাডার রোগীদের অস্ত্রোপচার দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে প্রমাণিত হয়েছে যে, যদি আমাদের চিকিৎসকরা একসঙ্গে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন, তা হলে কী অসাধ্য সাধন করা সম্ভব! সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত অর্থাৎ এই ৫ দিনে আরও ৩৯০টি বড় অস্ত্রোপচার করা হয়েছে, যা এই বিশেষ উদ্যোগের বাইরে।” মুখ্যমন্ত্রী আহ্বান জানিয়ে বলেছেন যে, অপেক্ষমাণ রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের জন্য যাতে দেশের সমস্ত হাসপাতাল এই মডেল অনুসরণ করে এবং ‘মিশন মোড’ উদ্যোগ গ্রহণ করে।

Advertisement

হঠাৎ এমন উদ্যোগের কারণ কী?
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর দাবি, নানা কারণে অস্ত্রোপচারের রোগীর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল। এদিকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক রোগীর চেয়ে বেশি সংখ্যক রোগীর অস্ত্রোপচার করাও সম্ভব নয়। তাই চাপ কমাতে চিকিৎসকরা সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নেন, তাঁরা সকলে একসঙ্গে একাধিক অপারেশন করবেন। মমতা আরও লেখেন, “দেশের অন্য রাজ্যের থেকে এ রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেকটা এগিয়ে, তা আবার প্রমাণ করল এই নয়া রেকর্ড।” সরকারি হাসপাতালের এমন উদ্যোগে খুশি রোগী ও তাদের পরিজনেরা। তাঁদের কথায়, হাসপাতালের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। যাঁরা বলেন সরকারি হাসপাতালে নাকি চিকিৎসা হয় না, তাঁদের বলব এসএসকেএম হাসপাতালে এসে দেখে যান, সরকারি চিকিৎসা পরিষেবা কাকে বলে!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন