Mamata Banerjee

মমতার হাত ধরে একুশের সভায় পহেলগাঁওয়ে নিহত বিতানের মা-বাবা, মঞ্চে শহিদ জওয়ান ঝন্টুর পরিবারও, লক্ষ টাকার সাহায্য

পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান বিতান। অপারেশন সিঁদুরে শহিদ হন ঝন্টু আলি শেখ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৫, ১৪:২০

options
link
মমতার হাত ধরে একুশের সভায় পহেলগাঁওয়ে নিহত বিতানের মা-বাবা, মঞ্চে শহিদ জওয়ান ঝন্টুর পরিবারও, লক্ষ টাকার সাহায্য

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে একুশের শহিদ সমাবেশ মঞ্চে পহেলগাঁওয়ে নিহত বিতানের মা-বাবা। উপস্থিত তেহট্টের শহিদ জওয়ান ঝন্টু আলি শেখের পরিবারের লোকজন। তৃণমূলের তরফে দুই স্বজনহারা পরিবারের হাতে ১ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, স্বজনহারা পরিবার দু’টিকে সাহায্য করতে প্রত্যেক তৃণমূল কর্মী ১টাকা করে আর্থিক সাহায্য করেছেন।

Advertisement

গত ২২ এপ্রিল, পহেলগাঁওয়ের বৈসরনে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান নিরীহ পর্যটকরা। নিহতদের তালিকার ছিল বিতান অধিকারী। কলকাতার পাটুলির বাসিন্দার পাশে আগেই দাঁড়িয়েছে রাজ্য সরকার। গত ২৬ এপ্রিল নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, বিতানের পরিবারকে এককালীন ১০ লক্ষ টাকা সাহায্য দেওয়া হবে। শুধু আর্থিক সাহায্য করেই পাশে থাকা নয়, পহেলগাঁওয়ে নিহত বিতান অধিকারীর মা-বাবার আর্থিক অবস্থা সঙ্গীন হওয়ায়, বিতানের বাবার নামে একটি পেনশন ফান্ড করে দেবে সরকার। তাতে মাসে ১০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে। সেই মতো আর্থিক সাহায্য আগেই তুলে দেওয়া হয়। এবার দলের তরফেও তাঁদের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Advertisement

এদিকে, পহেলগাঁও জঙ্গিহামলার পর উপত্যকায় শহিদ হন ঝন্টু আলি শেখ। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার মাঝে উধমপুরে শুরু হয় সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াই। সেই অপারেশনেই শহিদ হন বাংলার বীর সন্তান ঝন্টু আলি শেখ। তেহট্টের পাথরঘাটার শহিদ পরিবারের সদস্যরাও এদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। উত্তরীয় দিয়ে তাঁদের শ্রদ্ধা জানিয়ে আর্থিক সাহায্য হাতে তুলে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ভারতের মাটিতে ঢুকে ছবির মতো সুন্দর উপত্যকাকে মানুষের রক্তে স্নান করানোর মতো নৃশংস অপরাধ ঘটিয়ে ফেলেছে পাক জঙ্গিরা। এপ্রিলের সেই দুঃসহ সময়ের পর কেটেছে মাসের পর মাস। অথচ জঙ্গিরা এখনও ধরা পড়েনি কেন? এই সহজ প্রশ্নের উত্তর চেয়ে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা একাধিকবার কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছেন। সন্ত্রাস দমনে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করে সংসদীয় প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের মুখোশ খুলতে বিশ্ব ভ্রমণের পরও এ প্রশ্নের জবাব মেলেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.