Ritabrata Banerjee and Sandipan Saha

ঋতব্রত-সন্দীপনদের বহিষ্কারে স্থগিতাদেশ আলিপুর আদালতের, আরও বিপাকে মমতাপন্থী তৃণমূল

ঋতব্রত-সন্দীপনদের দাবি, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রতিহিংসামূলক। বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশের আর্জিও জানানো হয়।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৬, ২০:১৪

options
link
ঋতব্রত-সন্দীপনদের বহিষ্কারে স্থগিতাদেশ আলিপুর আদালতের, আরও বিপাকে মমতাপন্থী তৃণমূল
ঋতব্রত-সন্দীপনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ আলিপুর আদালতের

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ কার্যকর নয়। স্থগিতাদেশের নির্দেশ আলিপুর আদালতের। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ করা যাবে না বলেই জানায় আদালত। তাঁদের আর ‘দলের সদস্য নন’ বলে গণ্য করা যাবে না। আদালতের নির্দেশে স্বাভাবিকভাবেই যথেষ্ট চাপে মমতাপন্থী তৃণমূল। 

Advertisement

গত ১ জুন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা স্পিকারকে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তার ভিত্তিতেই হেয়ার স্ট্রিট থানায় বিধানসভার সচিবালয় অভিযোগ জানায়। শুধু তাই নয়, পুলিশমন্ত্রী হিসাবে বিষয়টি জানার পরেই ঘটনায় সিআইডিকে তদন্তে যুক্ত করার নির্দেশ দেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এহেন মন্তব্যের কয়েক মিনিটের মাথায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল।

ভোটের ফলপ্রকাশের পরই বিধানসভায় সই বিতর্কে উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার তদন্তে তৃণমূলের একাধিক বিধায়কের বাড়িতে হানা দেয় সিআইডি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করেছেন আধিকারিকরা। এই বিতর্কের মাঝে গত ১ জুন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা স্পিকারকে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তার ভিত্তিতেই হেয়ার স্ট্রিট থানায় বিধানসভার সচিবালয় অভিযোগ জানায়। শুধু তাই নয়, পুলিশমন্ত্রী হিসাবে বিষয়টি জানার পরেই ঘটনায় সিআইডিকে তদন্তে যুক্ত করার নির্দেশ দেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এহেন মন্তব্যের কয়েক মিনিটের মাথায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল।

Advertisement

ঋতব্রত-সন্দীপনদের দাবি, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রতিহিংসামূলক। বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশের আর্জিও জানানো হয়। বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ঋতব্রত-সন্দীপনদের আত্মপক্ষ সমর্থনে কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি। দলীয় তদন্তের নথিও নেই। সুতরাং এভাবে তাঁদের বহিষ্কার করা উচিত নয়। সে কারণেই তাঁদের বহিষ্কারের নির্দেশ কার্যকর নয় বলেই জানিয়েছে আদালত। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বহিষ্কারের ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। সংবাদমাধ্যমেও প্রচার করা যাবে না তাঁরা বহিষ্কৃত, তা জানাল আদালত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.