নয়া বছরে শহরের চিড়িয়াখানায় অতিথি ৪টি অ্যানাকোন্ডা

ঠিক কোন সময় থেকে দেখা মিলবে তাদের?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৫:০৭

options
link
নয়া বছরে শহরের চিড়িয়াখানায় অতিথি ৪টি অ্যানাকোন্ডা

রিংকি দাস ভট্টাচার্য: রুপোলি পর্দায় তাদের বিচিত্র কাণ্ডকারখানা হিমেল স্রোত বইয়ে দিয়েছে শিরদাঁড়া দিয়ে। চেয়ারের হাতল চেপে কচিকাঁচারাও দেখেছে অ্যানাকোন্ডাদের। তবে এবার আর সেলুলয়েডের দূরত্বে নয়। শহরে হিমেল হাওয়া বইলে আস্ত অ্যানাকোন্ডাদেরই দেখতে পাবেন শহরবাসী। আগামী বছরের গোড়াতেই চিড়িয়াখানায় অতিথি হচ্ছে খান চারেক অ্যানাকোন্ডা।

Advertisement

[ শহরের রাজপথ সাজবে রঙিন আলপনায়, পুরসভার বেনজির উদ্যোগ ]

Advertisement

জাগুয়ার, মাউস ডিয়ার এসেছিল কিছুদিন আগেই। শীতের শহরে চিড়িয়াখানার আকর্ষণ আরও এক মাত্রা দিতে এবার আসছে অ্যানাকোন্ডা। তাও একটা দুটো নয়, চারটি। আগামী বছরের গোড়াতেই আলিপুরই নিবাস হবে দক্ষিণের অ্যানাকোন্ডাদের। শীতের সময় পর্যটকের ভিড় বেশিই থাকে চিড়িয়াখানায়। অ্যানাকোন্ডা যে বাড়তি লোক টানবে তা বলাই যায়।

Advertisement

বর্ষবরণের পার্টিতে লালসা মেটাতে মহিলাদের ডেট রেপ ড্রাগ, সতর্ক গোয়েন্দারা ]

চিড়িয়াখানার অন্দরে এখন ঘরদোর ঠিক করা পালা। এতদিন অ্যানাকোন্ডাগুলির ঠিকানা ছিল মাদ্রাজ ক্রোকোডাইল ব্যাঙ্ক। সেখান থেকেই কলাকাতার বাসিন্দা হতে চলেছে তারা। শীতকালে হাইবেরনেশান চলায় সাপগুলিকে স্থানান্থরিত করা সুবিধা হবে। অ্যানাকোন্ডার পরিবর্তে কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে চারটি কেউটে ও চারটি শঙ্খচূড় সাপ। চিড়িয়াখানার অধিকর্তা আশিষকুমার সামন্ত জানিয়েছেন, “ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাস নাগাদ সাপগুলি কলকাতায় আসবে। আপাতত  অ্যানাকোন্ডাগুলিকে রাখার জায়গা ঠিক করা হচ্ছে।”

শহরে রাতের আকাশে আজ হাজার হাজার মহাজাগতিক আতশবাজির রোশনাই ]

অন্যদিক বৃহস্পতিবারে ক্যাঙারু, জাগুয়ার, সিংহ এবং মাউস ডিয়ারের এনক্লোজার উদ্বোধন করেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মণ। আগামীকাল থেকে দর্শনার্থীরা প্রাণীগুলিকে দেখতে পাবেন। অক্টোবর মাসের শেষ দিকে ৪টি ক্যাঙারু জাপান থেকে আনা হয়েছিল। অন্যদিকে হায়দরাবাদ থেকে চিড়িয়াখানায় এসেছে ৬টি মাউস ডিয়ার, ২টি জাগুয়ার এবং ২টি সিংহ। শীতের শহর মানেই রাজ্যবাসীর অন্যতম ডেস্টিনেশন চিড়িয়াখানা। একদিকে পিকনিক স্পট। অন্যদিকে শিক্ষামূলক ভ্রমণের কারণে প্রায় প্রতিদিনই কচিকাঁচাদের ভিড় লেগে থাকে চিড়িয়াখানায়। বিনোদন বজায় রাখতেই চিড়িয়াখানায় নতুন নতুন প্রাণী আনার পরিকল্পনা নেওয়া হযেছিল। সেইমতোই এসেছিল জাগুয়ার ও সিংহ। এ বছরের শেষ থেকেই দর্শনার্থীরা চাক্ষুস করতে পারবে তাদের। সিংহের আকর্ষণে ছোটরা চিড়িয়াখানমুখী হবেই বলে অনুমান করা হচ্ছে। অন্যদিকে জাগুয়ারও এবারের নয়া তুরুপের তাস। সেই সঙ্গে অ্যানাকোন্ডা যোগ হলে তো আর কথাই নেই। হলিউডি সিনেমার দৌলতে অ্যানাকোন্ডার কাণ্ডকারখানা প্রায় প্রত্যেকেই দেখেছেন। খাঁচার ওপারে তাদের জীবন্ত দেখার মুহূর্ত কেইবা হাতছাড়া করতে চায়!

ম্যাসাজ পার্লারের আড়ালে মধুচক্রের রমরমা ব্যবসা, ধৃত ৬ ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.