সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের সময় বঙ্গ বিজেপির সদর দপ্তরের ২৪ জন কর্মীর মাইনে হয়নি বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ পেয়েছিল। এই খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানাল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। প্রথমে ব্যাংকের কিছু সমস্যার কারণে চেক ক্লিয়ারেন্স না হলেও পরে সব কর্মীকে মাইনে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ কেউ বিজেপির বিরুদ্ধে কুৎসা করার জন্যই এই মিথ্যে খবর ছড়িয়েছে।
গত ২৫ মার্চ ভারতে লকডাউন শুরু হওয়ার পরেই দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গরিব মানুষদের জন্য খুব খারাপ দিন আসতে চলছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সবার কাছে আবেদন করেছিলেন প্রান্তিক শ্রেণির মানুষরা, যেমন বাড়ির পরিচারক বা পরিচারিকা কিংবা বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত মানুষদের মাইনে না কাটতে।
[আরও পড়ুন: পুলিশ আধিকারিকের মৃত্যু নিয়ে ক্ষোভ গড়ফা থানায়, করোনায় প্রাণহানি বলে অনুমান ]
এরপর রবিবার আচমকা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় যে রাজ্য বিজেপি দপ্তরের ২৪ জন কর্মী লকডাউনের মধ্যে মাইনে পাননি। এরপরই বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলে, রাজ্য বিজেপি নেতারা এখন করোনা আর আমফান নিয়ে রাজনীতি করতেই ব্যস্ত। বড় বড় সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করছেন। তাই প্রদীপের নিচে থাকা অন্ধকারের মতো, অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকা কর্মীদের ছোটখাট সমস্যা চোখেই পড়ছে না তাঁদের।
বিষয়টি নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল উঠেছে তখন জানা যায়, বিষয়টি সত্যি নয়। প্রথমে কিছু সমস্যা হলেও পরে সমস্ত কর্মীর বেতন মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, লকডাউনের মধ্যে ভিত্তিহীন খবর প্রচার করে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে অনেকে। গাড়ির চালক-সহ অফিসের সব কর্মীদের মাইনে দেওয়া হয়নি বলে বিরোধীরা যে কটাক্ষ করছিল তা মিথ্যে বলে দাবি করল বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।
[আরও পড়ুন:‘জীবনে প্রথম এরকম ইদ পালন দুঃখের’, আক্ষেপ ঝরে পড়ল ফিরহাদ হাকিমের গলায়]
সর্বশেষ খবর
-
‘ইসলামই শ্রেষ্ঠ’, মন্তব্য কর্নাটকের মন্ত্রীর, হিন্দু ধর্মকে হেয় করার অভিযোগ বিজেপির
-
ঠোঁটে সারাক্ষণ কৃষ্ণনাম, সাধু বেশে আশ্রয় নিয়ে একের পর এক মঠে লুট! তারপর…
-
নেপালের দুর্যোগে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ? ফুঁসছে নারায়ণী-গণ্ডক, প্লাবনের শঙ্কায় সতর্কতা একাধিক জেলায়
-
পাথর হয়েছিল পিত্তথলিতে, অস্ত্রোপচার হল অ্যাপেনডিক্স! কাঠগড়ায় এনআরএস হাসপাতাল
-
হবু স্ত্রী ইউরোপের রাজকন্যা! বিলাওয়াল ভুট্টোর বিয়ে নিয়ে জল্পনা, কী বলছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি?