Baghajatin

খাস কলকাতায় নিজের ওয়ার্কশপেই আক্রান্ত মৃৎশিল্পীর ছেলে! গলায়-হাতে ছুরির কোপ

বাঘাযতীনের হাসপাতালে ভর্তি শিল্পী নিখিল পাল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০২৫, ২০:০৭

options
link
খাস কলকাতায় নিজের ওয়ার্কশপেই আক্রান্ত মৃৎশিল্পীর ছেলে! গলায়-হাতে ছুরির কোপ
প্রতীকী ছবি।

গৌতম ব্রহ্ম: খাস কলকাতায় নিজের ওয়ার্কশপেই আততায়ীর হাতে আক্রান্ত হলেন মৃৎশিল্পীর ছেলে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ কলকাতার রামগড় এলাকায়। গলায়, হাতে ছুরির আঘাত নিয়ে নিখিল পাল নামে ওই শিল্পী ভর্তি বাঘাযতীনের (Baghajatin) এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচারের পর আপাতত স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। পাটুলি থানার পুলিশ তদন্তে নেমেছে। হাসপাতালে গিয়ে নিখিলবাবুকে একদফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি বারবার একটা কথাই জানিয়েছেন, কে বা কারা তাঁর উপর হামলা চালাল, সে বিষয়ে কিছুই বুঝতে পারছেন না।

Advertisement

বিখ্যাত মৃৎশিল্পী লক্ষ্মণ পালের ওয়ার্কশপ গাঙ্গুলিবাগান বাজারের সেকেন্ড গেট এলাকায়। লক্ষ্ণণ পালের গলি বলেই তা পরিচিত। সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ সেই ওয়ার্কশপে গিয়েছিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নিখিল পাল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সেখানে বসে তিনি সংবাদপত্র পড়ছিলেন। আচমকা এক অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী সেখানে ঢুকে ছুরি নিয়ে তাঁর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রাথমিক অনুমান, শোলা কাটার ছুরি দিয়ে তাঁর গলায়, হাতে কোপানো হয়েছে। প্রচুর রক্ত বেরচ্ছিল বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। সঙ্গে সঙ্গে ওয়ার্কশপের সামনে থাকা এক দোকানি ছুটে গিয়ে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেন। খবর পাঠান নিখিল পালের বাড়িতে।

Advertisement

শরীরে একাধিক ছুরির আঘাত নিয়ে নিখিল পালকে ভর্তি করা হয় বাঘাযতীনের বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে অস্ত্রোপচার হয় তাঁর। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এত রক্তপাত হয়েছে যে মনে করা হচ্ছিল, শিরা কেটে গিয়েছে। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখা যায়, তেমন কিছু হয়নি, তাঁর পেশিতে আঘাত লেগেছে। তাই বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নিখিল পাল। কিন্তু কে বা কারা তাঁর উপর এমন অতর্কিত হামলা চালাল, তা নিয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারে পরিবার। সকলেরই দাবি, এমন কোনও শত্রু নেই তাঁদের। পাটুলি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.