রাতের শহরে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কা অটোয়, মৃত চালক-সহ ৩

চিংড়িঘাটার ঘটনায় এখনও হুঁশ ফেরেনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৫:২২

options
link
রাতের শহরে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কা অটোয়, মৃত চালক-সহ ৩

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অটোর দৌরাত্ম্যে নাজেহাল হতে হয় শহরের যাত্রীদের। কলকাতা ও শহরতলির দৃশ্যটা একই। কিন্তু এবার সেই অটোই পড়ল দুর্ঘটনার কবলে। রাতের রাস্তায় চলা বেপরোয়া ট্রাকই প্রাণ নিল অটোচালক ও দুই নিরীহ যাত্রীর।

Advertisement

[নাগরাকাটায় ৯ ফুটের চিতার চামড়া সমেত গ্রেপ্তার ২]

শনিবার গভীর রাতে বাসন্তী হাইওয়েতেই ঘটল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ফাঁকা রাস্তায় ট্রাফিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই লরি, ট্রাক যাতায়াত করে। আর তাতেই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়তে হল তিন অটো আরোহীকে। বাসন্তীর আরুপোতার কাছে একটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা দেয় সামনে থেকে আসা একটি অটোকে। অটোচালক-সহ তিন যাত্রী প্রথমে গুরুতর জখম হন। দুমড়ে-মুচড়ে যায় অটোটিও। জানা যাচ্ছে, তিন যাত্রী সুদর্শন বর্মন, সন্দীপ দাস এবং সুবীর সাঁপুই ছিলেন আনন্দপুরেরই বাসিন্দা। অটোচালক বাবলু দাস ট্যাংরার বাসিন্দা ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা অটোচালক এবং দুই যাত্রী সন্দীপ দাস এবং সুবীর সাঁপুইকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আরেক যাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে।

Advertisement

[গরমে গরম হবে পিঁয়াজের বাজারও, মাথায় হাত মধ্যবিত্তর]

তবে যে ট্রাকটি অটোকে ধাক্কা মারে তার এখনও পর্যন্ত কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। এমনকী ট্রাক নাকি অন্য কোনও গাড়ির ধাক্কায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাও খতিয়ে দেখা দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই সেই গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে প্রগতি ময়দান থানায়। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ঘাতক গাড়ির চালকের খোঁজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি মৃতদেহকে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তারপরই পরিবারের হাতে মৃতদেহ তুলে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য গত মাসেই পথ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল চিংড়িঘাটা। বাস ট্রাফিক আইন ভাঙায় দুই তরতাজা যুবকের প্রাণ গিয়েছিল। কিন্তু হুঁশ ফেরেনি। রাতের হাইওয়েতে এমন ঘটনা ফের পথ নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.