Bengal Assembly Dissolved

বিধানসভা ভঙ্গের নির্দেশ রাজ্যপাল রবির, নারাজ হলেও আর মুখ্যমন্ত্রী নন মমতা

'আমরা তো হারিনি' বলে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত বাংলা রাষ্ট্রপতি শাসনের আওতায়।

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৬, ২০:৩৩

options
link
বিধানসভা ভঙ্গের নির্দেশ রাজ্যপাল রবির, নারাজ হলেও আর মুখ্যমন্ত্রী নন মমতা

মেয়াদ শেষ হতেই নিয়ম মেনে বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার (Bengal Assembly Dissolved) বিজ্ঞপ্তি জারি করলেন রাজ্যপাল আর এন রবি। ৭ মে পর্যন্ত ছিল তৃতীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের মেয়াদ। হিসেবমতো তা শেষের পর বিধানসভার আর কোনও কার্যকারিতা থাকে না। নতুন সরকার গঠনের পর ফের কাজ শুরু হয়। সেই নিয়ম মেনেই বিধানসভা ভঙ্গের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল। ভোটে পরাজয়ের পরও কারচুপির অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন না বলে জানিয়েছেন। কিন্তু রাজ্যপালের নির্দেশের পর আনুষ্ঠানিকভাবে পদ না ছাড়লেও আর মুখ্যমন্ত্রী রইলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত বাংলা রাষ্ট্রপতি শাসনের আওতায়। 

Advertisement
বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি রাজ্যপাল আর এন রবির

ছাব্বিশের ভোটে ভবানীপুর থেকে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন ‘ঘরের মেয়ে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর গণনাকেন্দ্র থেকেই অভিযোগ তোলেন, এজেন্টদের মেরেধরে বের করে ভোট লুট করেছে বিজেপি। পরেরদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ”আমরা তো হারিনি। ভোট লুট করে হারানো হয়েছে। আমি রাজভবনে যাব না, ইস্তফা দেব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক। এই দিনটা বাংলার ইতিহাসে কালো দিন হিসেবে লেখা থাকবে।” সেই হিসেবে ৭ মে পর্যন্ত মমতা সরকারের মেয়াদ ছিল। আর নির্বাচিত বিজেপি সরকার আগামী ৯ মে শপথ নেবে। তাই দু’দিনের জন্য রাজ্যে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হল।

ছাব্বিশের ভোটে ভবানীপুর থেকে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন ‘ঘরের মেয়ে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর গণনাকেন্দ্র থেকেই অভিযোগ তোলেন, এজেন্টদের মেরেধরে বের করে ভোট লুট করেছে বিজেপি। পরেরদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ”আমরা তো হারিনি। ভোট লুট করে হারানো হয়েছে। আমি রাজভবনে যাব না, ইস্তফা দেব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক। এই দিনটা বাংলার ইতিহাসে কালো দিন হিসেবে লেখা থাকবে।” সেই হিসেবে ৭ মে পর্যন্ত মমতা সরকারের মেয়াদ ছিল। আর নির্বাচিত বিজেপি সরকার আগামী ৯ মে শপথ নেবে। তাই দু’দিনের জন্য রাজ্যে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়ম অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা না দিলেও মেয়াদ শেষ হলে এমনিই আর তাঁর পদের গুরুত্ব বা কার্যকারিতা থাকে না। তাই নতুন সরকার গঠনে কোনও সমস্যা হবে না। যদিও পরাজয়ের পর রাজভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়াটাই রীতি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করেন যে বিজেপি লড়াই করে জেতেনি, জিতেছে কারচুপি করে। তাই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়বেন না। তাতে অবশ্য কোনও লাভ হল না। রাজভবনের নির্দেশ মেনে বিধানসভা ভেঙে ফেলার বিজ্ঞপ্তি জারি করলেন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়াল।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন