BJP leader Suvendu Adhikari interact with BSF officials at Rajarhat

‘শ্লীলতাহানি’র অভিযোগে বিদ্ধ জওয়ানরা, ক্ষমা চাইতে BSF দপ্তরে শুভেন্দু, নিন্দায় সরব TMC

তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ বিএসএফের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০২১, ২২:০১

options
link
‘শ্লীলতাহানি’র অভিযোগে বিদ্ধ জওয়ানরা, ক্ষমা চাইতে BSF দপ্তরে শুভেন্দু, নিন্দায় সরব TMC

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: জীবনের বিনিময় সীমান্ত পাহারা দেয় বিএসএফ। তাঁদের বিরুদ্ধেই বিধানসভায় ভাষা সন্ত্রাস চালিয়েছে রাজ্যের শাসকদল। তাই বিএসএফ কর্তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিলেন বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার বিজেপি পরিষদীয় দলের তরফে রাজারহাটে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দপ্তরে গিয়ে আধিকারিকদের হাতে ফুল ও মিষ্টি তুলে দেওয়া হয়। বিজেপির বিরুদ্ধে পালটা তোপ দেগেছে তৃণমূল। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রাজ্যের শাসকদলের। সমালোচনায় সরব হয়েছে বামেরাও। বিতর্ক এড়াতে সক্রিয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীও। রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করা হয় বলে বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে।

Advertisement

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার এক বিজ্ঞপ্তি মারফৎ বাংলায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এলাকা ও ক্ষমতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। আগে বিএসএফের এলাকা সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। বিজ্ঞপ্তিতে সেই এলাকা ৫০ কিলোমিটার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিধানসভায় একটি প্রস্তাব পাশ করে শাসকদল। প্রস্তাবের উপর আলোচনা চলাকালীন শাসক দলের বিধায়করা বাহিনীর বিরুদ্ধে ভাষা সন্ত্রাস চালিয়েছে বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। বিএসএফের (BSF) প্রতি সহমর্মিতা জানাতে এদিন রাজারহাটে বাহিনীর দপ্তরে যায় বিজেপি পরিষদীয় দল। সেখানে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, যখন জীবনকে বাজি রেখে সীমান্তরক্ষী বাহিনী দেশবাসীকে নিশ্চিন্তে ঘুমোনোর সুযোগ করে দেয় তখন রাজ্যের শাসকদল তাঁদেরকে অপমান করছে। বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল যে শব্দ প্রয়োগ করেছে তা কোনও দেশ প্রেমিক করতে পারে না বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার। তাই দেশপ্রেমিক হিসেবে তারা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে দাবি শুভেন্দুর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘দুয়ারে হাঁসের পালক’! কাশফুলেও নয়া শিল্প, বিপুল কর্মসংস্থানের দিশা দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী]

যদিও বিজেপির এই উদ্যোগের পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। দলের সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের অভিযোগ, রাজ্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতেই বিজেপির এই সিদ্ধান্ত। রাজনৈতিক স্বার্থে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তৃণমূলের এই সাংসদ। তৃণমূল ও বিজেপি অভিযোগ পালটা অভিযোগের মধ্যে গোপন সমঝোতা রয়েছে বলে অভিযোগ বামেদের। সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর দাবি, রাজ্য পুলিশ তৃণমূল নেতাদের পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে। তাই এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি নেতাদের পাহারা দেবে। দুই বাহিনীকে সামনে রেখে এই দুই দল অসামাজিক কার্যকলাপ করবে বলে অভিযোগ সুজনের।

Advertisement

তবে রাজনৈতিক বিতর্কর মধ্যেই রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজের বার্তা দিয়েছে বিএসএফ। এদিন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তরফে জানানো হয়, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেই কাজ করছে বিএসএফ। কোনওভাবেই তারা নিজেদের এলাকার বাইরে গিয়ে কাজ করেন না। বাহিনীর নর্থবেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার হেড কোয়ারর্টারের আইজি রবি গান্ধী জানান, “বিএসএফের প্রধান কাজ অনুপ্রবেশ রোখা। বিএসএফ তদন্তকারী সংস্থা নয়। তাই পুলিশের কাজে হস্তক্ষেপ করার প্রসঙ্গই আসতে পারে না। বরং রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই কাজ চলে।”

[আরও পড়ুন: ডাইনি অপবাদ দিয়ে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা দাবি! ‘একঘরে’ বাঁকুড়ার পরিবারে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.