মেট্রোয় শালীনতা থাকা দরকার, যুগলকে মারধরের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের

বিজেপির রাজ্য সভাপতির মন্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৮, ০১:৩০

options
link
মেট্রোয় শালীনতা থাকা দরকার, যুগলকে মারধরের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ব্যক্তি স্বাধীনতা থাকবে। কিন্তু একটা শালীনতাও থাকা দরকার। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়।’ মেট্রোয় আলিঙ্গনরত অবস্থায় থাকার ‘অপরাধে’ যুগলকে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে মারধরের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের। এই ঘটনায় মেট্রো কর্তৃপক্ষর প্রতিক্রিয়া, আক্রান্তরা কোনও অভিযোগ দায়ের না করলেও স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত করবে মেট্রো কর্তৃপক্ষই। খতিয়ে দেখা হবে সিসিটিভি ফুটেজ, পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যপ্রমাণ।

Advertisement

[জমা পড়েনি অভিযোগ, যুগল হেনস্তা কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত তদন্তে কলকাতা মেট্রো]

সেই সঙ্গে মেট্রো রেলের আশ্বাস, এখন পুরনো কোচে সিসিটিভি না থাকলেও ভবিষ্যতে যে নয়া কোচ আসবে কলকাতায়, সেগুলিতে সিসিটিভি লাগানোই থাকবে। পাশাপাশি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ এখন থেকে যাত্রী নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেবে। সহযাত্রীদের কাছ থেকে এরকম ব্যবহার আশাব্যঞ্জক নয় বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কলকাতা মেট্রোর জিএম। তাঁর আশ্বাস, মেট্রো কোনওরকম নীতি পুলিশি মানবে না। প্রত্যেক যাত্রীর ব্যক্তি স্বাধীতায় বিশ্বাস করে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। তবে এই প্রেক্ষিতে গোটা শহর যখন তোলপাড় তখন দিলীপ ঘোষের মন্তব্য বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে, মেট্রো কাণ্ডে আজ শহর জুড়ে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন। দমদম, টালিগঞ্জ মেট্রো স্টেশনে চলছে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ। গানের সুরে প্রতিবাদে মুখর যুব সম্প্রদায়।

Advertisement

শুধু মেট্রো কাণ্ডই নয় অবশ্য, আজ দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক নিয়েও মুখ খুলেছেন। বৈঠককে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘ভাল উদ্যোগ। অনেক দিন পর মুখ্যমন্ত্রীর শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে। বার বার উনি বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন। এতে আখেরে রাজ্যেরই ক্ষতি হয়েছে।’ তবে বিরোধীরা পঞ্চায়েত ভোটে অংশ নিতে ভয় পাচ্ছে বলে শাসক দলের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বলেছেন, ‘বিজেপি পঞ্চায়েত ভোটের বিরুদ্ধে নয়। কিন্তু নির্বাচনে নিরাপত্তার বিষয়টা সুনিশ্চিত করা দরকার। বুথ থেকে ভোটকর্মী ও ভোটাররা সুষ্ঠুভাবে যে বাড়িতে ফিরতে পারবেন, সেই আশ্বাস কোথায়? কেন্দ্রীয় সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে চেয়েছিল। তারপরও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিতে অনীহা কেন রাজ্যের।’ প্রশ্ন তোলেন দিলীপ ঘোষ।

Advertisement

[আলিঙ্গনে ‘শাপমুক্তি’, প্রেম-প্রতিবাদ মিলেমিশেই কলকাতা আবার ‘ভালবাসার শহর’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.