মন্দারমণি থেকে কলকাতার আত্মীয়ের বাড়িতে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন বৃদ্ধ। যাদবপুরের আত্মীয়ের বাড়ির তিনতলার ঘরে রাতে ঘুমনোর জন্য গিয়েছিলেন। মধ্যরাতে হঠাৎ আওয়াজ পান ওই বাড়ির লোকজন, প্রতিবেশীরা। দেখা যায়, ওই বাড়ির সামনেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে জানা যায়, মৃত্যু হয়েছে তাঁর। মৃত ব্যক্তির নাম তপন দাস। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। খুন নাকি অন্য কোনও ঘটনা? সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে খবর, বছর ৬৩ বয়সের তপন দাসের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের মন্দারমণি এলাকায়। সম্প্রতি তাঁর চোখের অস্ত্রোপচার হয়েছিল। কিছুদিন আগে তিনি কলকাতায় যাদবপুরের আত্মীয় অরুণ নায়েকের বাড়িতে এসেছিলেন। গতকাল, মঙ্গলবার তিনি ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন। ফেরার পর রাতে তিনতলার ওই ঘরে শুয়েছিলেন। রাত ১টা নাগাদ বাড়ির লোকজন ও প্রতিবেশীরা একটি আওয়াজ শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন। দেখা যায়, ওই বাড়ির সামনেই কোনও এক ব্যক্তি পড়ে রয়েছেন।
দ্রুত রাস্তায় নেমে দেখা যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে রয়েছেন ওই বৃদ্ধ। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর দেওয়া হয় যাদবপুর থানায়। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। দেশবন্ধু রোডের ওই বাড়িতেও পুলিশ তদন্তে যায়। ওই বাড়ির সদস্যের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা। ওই ব্যক্তি কি কোনও কারণে ছাদে উঠেছিলেন? পাঁচিলের ধারে গিয়ে আর টাল সামলাতে পারেননি? সেই প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু অত রাতে কেনই বা তিনি ছাদে যাবেন? খুন করা হয়নি তো তাঁকে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
২০১৪-য় অভিশাপ দেন রোনাল্ডোকে, ঘানার সেই বিতর্কিত ‘ওঝা’ বলছেন, ‘এবার বিশ্বজয়ী পর্তুগাল’
-
‘কলকাতা দেখব মামা’, আবদার করেই তারাতলার বহুতলের ছাদে, আর ফেরা হল না মামা-ভাগ্নের
-
লাইভ সার্জারি থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, ডিসানে হিস্টেরোস্কোপির মাস্টারক্লাস
-
অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিতের ‘বন্ধু’কে আটক করল পুলিশ, কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা
-
কেতন হত্যাকাণ্ডে মা-বাবাকে দোষারোপ! পুণের হাড়হিম কাণ্ডে সমাজের সম্মুখে আয়না ধরলেন কঙ্গনা